প্রায় ঘটনায় শুনা যায় স্বামী স্ত্রীকে মে’’রে ফেলে, কিন্তু আজকে শুনা গেল পঞ্চগড়ে এক স্ত্রী নিজের স্বামীকেই বি’’ষ খাইয়ে মে’’রে ফেলেছেন!
ভাবা যায়?
শনিবার রাতে স্বামীকে নিজ হাতে ভাত বেড়ে দিলেন, খাওয়ালেন, তারপর ঘুমাতে গেলেন — একদম স্বাভাবিক একটা রাত। কিন্তু রাতের মধ্যেই স্বামীর পেটে ব্য থা, ব’’মি শুরু হলো।
পরিবারের লোকজন ছুটে এলো, বাঁ চা নোর চেষ্টা করলো, শরবত খাওয়ালো। অথচ সেই শরবতেই আরও বি’’ষ মিশিয়ে দিলেন স্ত্রী নিজেই! হা’স’পা’তা’’লে নেওয়ার পথেই মা’’রা গেলেন লোকটা।
বাসায় রেখে গেলেন সাত বছরের একটা মেয়ে আর পাঁচ বছরের একটা ছেলে, যারা এখনো জানেই না বাবা আর কখনো ফিরবে না।
প্রথমে সবাই ভাবলো স্বাভাবিক মৃ’ ’ত্যু, কিন্তু একদিন পরই সত্যিটা বেরিয়ে এলো — প্রায় এক বছর ধ’’রে অন্য একজনের সাথে সম্পর্ক ছিল ওই স্ত্রীর, আর সেই লোকই নাকি হু’ম’’কি দিয়ে বা’’চ্চা কে’’ড়ে নেওয়ার ভ’’য় দেখিয়ে বিষ খাওয়াতে বা’’ধ্য করেছে।
মৃ’’ত লোকটার ভা’ই কা’’ন্না জড়ানো গলায় বলছিলেন,
নি’হ’ত আলম হকের বড় ভাই আব্দুল করিম বলেন, আমি আলমের বউকে বলি তুমি যদি কিছু করে থাকো তাহলে বল। আমাকে বাচ্চাদের দিকে দেখে তোমাকে বাঁ’চি’য়ে আনব। তারপরেও সে কিছু বলতে রাজি হয়নি। পরে সে মকছেদুল নামে আমাদের এক ভাগিনাকে বলে বাবুলের সাথে তার এক বছর ধরে প্রেম। তারা দুজনে মিলে পরামর্শ করে আমার ভাইয়ের খাবারে বি’’ষ মিশিয়ে খাওয়ায়। পরে শরবতের সাথেও বি’’ষ মিশিয়ে দেয়। আমার ভাইকে এভাবে বি’’ষ খাইয়ে মা’র’’ল, এটা আমরা কল্পনাও করতে পারিনি। সে অন্য কারও সঙ্গে চলে যেতে চাইলে চলে যেতে পারত। কিন্তু আমার ভাইকে মে রে ফেলল কেন? আমরা এর বিচার চাই।
সত্যিই, দুনিয়াটা কোনদিকে যাচ্ছে বুঝি না আর।