মুহিবুল্লাহ মুবিনকে ৫ দিনের রি/মান্ড দিয়েছেন আদালত।তার অ/পরা/ধ প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করতে যাওয়া।নিরাপত্তা বেষ্টনি ভেদ করে তারেক জিয়ার গাড়ির পাশ দিয়ে মোটর সাইকেলে হাত উঁচু করে সালাম দিয়ে কথা বলছিলেন। আর সামনে থেকে এসে বিনা
ওয়া/রেন্টে পুলিশ মুবিন কে গ্রেফ তার করে ফেলল।
আজ আদালতে বিনা অ প রাধে স্বামীর হাতে হ্যান্ডকাফ দেখে স্ত্রী হাউমাউ করে কা ন্নাকা টি করতে করতে পিছনে ছুটেছে। সাথে তার ৬ বছরের ছেলেও আব্বা আব্বা করে কা ন্নাকা টি করেছে।
মুবিনের স্ত্রী আদালত চত্বরে চিৎকার করে বলছিলেন আমার স্বামী নি র্দো ষ। আমার স্বামীকে ছেড়ে দিন প্লিজ। আমার স্বামী তারেক রহমানকে ভালোবাসে সেজন্য তার সাথে সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলেন।
পৃথিবীর অন্য দেশে ভিআইপিদের সাথে কেউ দেখা করতে চাইলে তারা জায়গা করে দেয় কাছে আসার জন্য। নিরাপত্তা বেষ্টনী শিথিল করে দেন। কাছে গেলে বুকেও টেনে নেন। কিন্তু বাংলাদেশে এক আজব নিয়ম। আসলে অতিরিক্ত ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ যদি
অ পরা ধ হয় তাহলে আর তারেক রহমানকে কেউ ভালোবাসবে না।
আপনার সাথে দেখা করার অ পরা ধে কোন ধারায় মা মলা হল? ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ যদি অ পরাধ হয় আর সেই অ পরাধে যদি কেউ গ্রেফতার হয় তাহলে সে ধরাটাও আপনি সংসদে উত্থাপন করে বিল পাস করুন। তাহলে সামনে আরো আপনার ভালবাসার মানুষকে ধরতে সুবিধা হবে।
কিন্তু অবাক করার বিষয় হল স ন্ত্রা স দমন আইনের পুরাতন মামলায় মহিবুল্লাহ মমিন কে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। প্রয়োজনে নতুন নিয়ম চালু করুন নতুন ধারা তৈরি করুন মামলা করার জন্য। কিন্তু ফ্যাসিস্ট আমলের মত পুরাতন মামলায় জেলে পাঠানো বন্ধ করুন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বলবো, আপনাকে ভালোবেসে আবেগের বেশে সাক্ষাৎ করতে গিয়ে যদি কারোর ৫ দিনের রিমান্ড হয় তাহলে সামনে আর কেউ আপনাকে ভালোবাসার সাহস পাবে না। আপনি দ্রুত স্ত্রী এবং শিশু বাচ্চার কাছে তার পিতাকে ফিরিয়ে দিন। আপনি মহান হয়ে থাকবেন। জনগণের হৃদয়ে জায়গা করে নেবেন। আপনার প্রতি জনগণের ভালোবাসা আরও বৃদ্ধি পাবে।