Dhaka , Monday, 20 July 2026
News Title :
ব্রেকিং নিউজ >>> ৩ ঘন্টা পেছালো আর্জেন্টিনা – স্পেন এর ম্যাচ ….see more হায়রে মা”নুষ এমন কাজ ও করতে পারে ,শেষ পর্যন্ত নিজের আপন….see more ব্রেকিং নিউজ >>> আবহাওয়া খারাপ এর কারনে ৩ ঘন্টা পেছালো আর্জেন্টিনা vs স্পেন ম্যাচ ….see more সাতক্ষীরার এলাকার চেয়ারম্যান মহিলাকে জুতা দিয়ে মারলো…see more চার বন্ধু সা’রা’রাত মেয়ে নিয়ে ফু*র্তি।সকালে উঠে জানতে পারে মেয়েটির ভা’ড়া…see more ব্রেকিং নিউজ>>> হ’ঠাৎ করে পদ’ত্যাগের ঘোষণা…. See more ফরিদপুর এলাকাবাসীর কাছে ধ’রা পড়লো ৩৫ বছরের ম’হিলা এবং তার আপন…see more মানুষ এতটা খা’রাপ কিভাবে হয়, স্বামীর মৃ”ত্যুর পরপরই বিয়ে করেন নিজের আপন…see more কিস করার সময় জিহ্বার ব্যবহার সম্পর্কে যা জানা সবার জন্য জরুরী…See more আজকে একটি শ্রেনী কক্ষে এভাবেই একজন শিক্ষক ও শিক্ষিকা…see more
News Title :
ব্রেকিং নিউজ >>> ৩ ঘন্টা পেছালো আর্জেন্টিনা – স্পেন এর ম্যাচ ….see more হায়রে মা”নুষ এমন কাজ ও করতে পারে ,শেষ পর্যন্ত নিজের আপন….see more ব্রেকিং নিউজ >>> আবহাওয়া খারাপ এর কারনে ৩ ঘন্টা পেছালো আর্জেন্টিনা vs স্পেন ম্যাচ ….see more সাতক্ষীরার এলাকার চেয়ারম্যান মহিলাকে জুতা দিয়ে মারলো…see more চার বন্ধু সা’রা’রাত মেয়ে নিয়ে ফু*র্তি।সকালে উঠে জানতে পারে মেয়েটির ভা’ড়া…see more ব্রেকিং নিউজ>>> হ’ঠাৎ করে পদ’ত্যাগের ঘোষণা…. See more ফরিদপুর এলাকাবাসীর কাছে ধ’রা পড়লো ৩৫ বছরের ম’হিলা এবং তার আপন…see more মানুষ এতটা খা’রাপ কিভাবে হয়, স্বামীর মৃ”ত্যুর পরপরই বিয়ে করেন নিজের আপন…see more কিস করার সময় জিহ্বার ব্যবহার সম্পর্কে যা জানা সবার জন্য জরুরী…See more আজকে একটি শ্রেনী কক্ষে এভাবেই একজন শিক্ষক ও শিক্ষিকা…see more

অব”শেষে বে”রিয়ে আসলো স”ত্য ঘট”না, সোহেল বলে আমি একা করি নাই আমার সা….

‘রান্নাঘর থেকে শব্দ শুনছি। মনে করছি, পাশের ফ্ল্যাটের বাচ্চা চিৎকার দেয়। আমার মেয়ে যে চিৎকার দিতেছে, আমি সেটা বুঝতে পারি নাই। মনে করেছি, ওর সাথে বড় মেয়ে গেছে, আমার মেয়ে চিৎকার দিবো কেমনে?’ কথাগুলো বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার শিশুটির মা।

গতকাল বুধবার দুপুরে পল্লবী থানাধীন সেকশন-১১ নম্বরে শিশুটির বাসায় গিয়ে তার মা, বড় বোনসহ স্বজনদের সঙ্গে কথা হয়। গত মঙ্গলবার এই ভবনের অন্য একটি ফ্ল্যাটের বাসিন্দা সোহেল রানার বাসায় ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় দ্বিতীয় শ্রেণির ওই শিশুকে।

দুপুরে বাড়ির সামনে গিয়ে দেখা যায়, হত্যাকারীদের জনসমক্ষে ফাঁসির দাবিতে ব্যানার ঝুলছে। স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে আছে, কেউ কেউ ক্ষোভ জানাচ্ছে। নিহত শিশুটির পরিবার যে ফ্ল্যাটে থাকে, সেটির দরজা খুলতেই একটি কক্ষ। ডান দিকের ভেতরে আরেকটি কক্ষ। অভিযুক্ত সোহেলের বাসা তাদের ফ্ল্যাটের বিপরীতে। ওই বাসার দরজা তালাবদ্ধ দেখা যায়। দরজার সামনে কয়েকটি স্যান্ডেল পড়ে রয়েছে। কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর নিহত শিশুটির বাসায় গিয়ে কথা হয় তার মা ও বড় বোনের সঙ্গে।

শিশুটির মা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সকালে বড় বোন…বাসার সামনেই চাচার বাসায় যাইবো। দুই বোনই বের হইছে। ওকে (নিহত শিশু) ধাক্কা মাইরা রাইখা গেছে। আমি ভেতরের রুমে। আমি ভাবছি, ওর সাথে চইলা গেছে। দুই মেয়ে গেছে। তার পাঁচ মিনিট পরই ও (বড় মেয়ে) আইসা পড়ছে। দেখি ও একা। তখনই ওরে (নিহত শিশু) খোঁজাখুঁজি করি। সব ধাক্কাইছি।’ এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

কান্না সামলে আবার বলেন, ‘বেশি সময় না, পাঁচ মিনিট। আমার মাইয়্যা দরজাটা খুইলা দাঁড়াইছে, ও মনে হয় টান দিয়া নিয়া গেছে। এই দরজা ধাক্কাইছি, উপরের দরজা ধাক্কাইছি। সব দরজা খুলছে, কিন্তু এই (সোহেলের বাসা) দরজা খুলে নাই। তাদের (সোহেল) সঙ্গে কোনো কথাই হয় নাই। বলিও নাই।…তবে কেন এমন হইয়া গেল?’

ওই নারী আরও বলেন, ‘একটা জুতা পড়া ছিল। হয়তো আমার মেয়ে একটা জুতা পরেছে, আরেকটা জুতা পরতে পারে নাই, টান দিয়া নিয়া গেছে। এই জুতাটা পইরা নিচে নামে। দরজার সামনে একটা পড়া, আরেকটা নাই। এর জন্যই ওই বাসার দরজাটা ধাক্কাইছি। সবার দরজা খুলছে, ওই দরজা খুলে নাই। পরে লোকজন এসে ভাঙছে।’

শিশুটির স্বজনেরা জানান, ছোট বোনকে এড়িয়ে চাচার বাসায় যাচ্ছিল বড় মেয়ে। কিন্তু ছোট বোন পেছন পেছন বের হয়ে আসায় ফিরে গিয়ে বোনকে বাসায় রেখে আবারও বের হয়ে যায় সে। কিন্তু তার পেছন পেছন আবারও বেরিয়ে আসে ছোট মেয়ে। বোনকে লুকিয়ে যেতেই আর পেছন ফিরে দেখেনি বড় মেয়ে। তবে বড় মেয়ে ফিরে আসতেই খোঁজ পড়ে ছোট মেয়ের। এরপর এক ফ্লোর থেকে অন্য ফ্লোর, এক বাসা থেকে অন্য বাসায় খুঁজতে শুরু করেন মা। কড়া নাড়েন সব দরজায়। কিন্তু সবাই দরজা খুললেও শিশুটির মায়ের ডাকে সাড়া দেননি পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটে সোহেল রানা (৩০) এবং তাঁর স্ত্রী স্বপ্না আক্তার (২৬)।

এ সময় নিহত শিশুটির বড় বোন বলে, ‘রাস্তার ওই পাশেই আমার চাচার বাসা। আমি চাচার বাসায় যাচ্ছিলাম। বোন আমার সাথে বের হতে চাইছে। আমি বলেছি, ঘরে যাও। এরপর আমি ওকে ঘরে ঢুকাইয়া তারপর বের হয়েছি। তখন আমি বের হয়েছি কি না দেখার জন্য বোন আবার গেটটা (ঘরের দরজা) খুলছে। আমি পিছে আর না তাকিয়ে চলে গেছি। তখনই দরজার বাইরে থেকে লোকটা ওকে টান দিয়ে ধরে নিয়ে গেছে। ও চিৎকার করেছিল। আম্মু শব্দ শুনছে।’

পরে শিশুটির মা আবার বলেন, ‘কোনো দিন একটা শব্দও ওদের সাথে আমাদের কোনো দিন হয়নি। কথাই বলিনি। ওরা ভাড়া আসছে, একটা শব্দও ওগো সাথে কোনো দিন হয় নাই।’ অভিযোগ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বাসার কেয়ারটেকার ফ্ল্যাট বাসায় ভাগ ভাগ করে অটোওয়ালাগো (অটোচালক) ভাড়া দিয়েছে। আমরা সারা দিন আতঙ্কে থাকি। অটোওয়ালারা ব্যাচেলর ভাড়া থাকে। বাসায় ওঠানামার সময় ভয়ে থাকতাম, কোন সময় জানি কারে টান দিয়া নিয়া যায়।’

জানা গেছে, ওই ভবনের মালিক বিদেশে থাকেন। তাঁর অবর্তমানে কেয়ারটেকার বাসা দেখাশোনা করেন। তিনি বাসাভাড়া দিয়ে থাকেন। শিশু হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা রিকশা গ্যারেজ মিস্ত্রি। ভবনের নিচেই ফুটপাতে রিকশার মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করতেন।

তবে দুপুরে বাসার কেয়ারটেকার মনিরকে খোঁজ করা হলে তাঁকে পাওয়া যায়নি।

এদিকে ঘটনার পর শিশুটির বাবা হতাশা প্রকাশ করে সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিচার আপনারা করতে পারবেন না। আপনাদের এই ধরনের কোনো রেকর্ড নেই। এইটা বড়জোর ১৫ দিন। এরপর আবার কোনো একটা ঘটনা ঘটবে। এটা তলে চলে যাবে। শেষ! শেষ এটা!’

গতকাল দুপুরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে শিশুটির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে মরদেহ দাফনের জন্য গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ঘটনার স্বীকারোক্তি দিয়ে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন আসামি সোহেল রানা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ব্রেকিং নিউজ >>> ৩ ঘন্টা পেছালো আর্জেন্টিনা – স্পেন এর ম্যাচ ….see more

অব”শেষে বে”রিয়ে আসলো স”ত্য ঘট”না, সোহেল বলে আমি একা করি নাই আমার সা….

Update Time : 04:21 am, Sunday, 24 May 2026

‘রান্নাঘর থেকে শব্দ শুনছি। মনে করছি, পাশের ফ্ল্যাটের বাচ্চা চিৎকার দেয়। আমার মেয়ে যে চিৎকার দিতেছে, আমি সেটা বুঝতে পারি নাই। মনে করেছি, ওর সাথে বড় মেয়ে গেছে, আমার মেয়ে চিৎকার দিবো কেমনে?’ কথাগুলো বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার শিশুটির মা।

গতকাল বুধবার দুপুরে পল্লবী থানাধীন সেকশন-১১ নম্বরে শিশুটির বাসায় গিয়ে তার মা, বড় বোনসহ স্বজনদের সঙ্গে কথা হয়। গত মঙ্গলবার এই ভবনের অন্য একটি ফ্ল্যাটের বাসিন্দা সোহেল রানার বাসায় ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় দ্বিতীয় শ্রেণির ওই শিশুকে।

দুপুরে বাড়ির সামনে গিয়ে দেখা যায়, হত্যাকারীদের জনসমক্ষে ফাঁসির দাবিতে ব্যানার ঝুলছে। স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে আছে, কেউ কেউ ক্ষোভ জানাচ্ছে। নিহত শিশুটির পরিবার যে ফ্ল্যাটে থাকে, সেটির দরজা খুলতেই একটি কক্ষ। ডান দিকের ভেতরে আরেকটি কক্ষ। অভিযুক্ত সোহেলের বাসা তাদের ফ্ল্যাটের বিপরীতে। ওই বাসার দরজা তালাবদ্ধ দেখা যায়। দরজার সামনে কয়েকটি স্যান্ডেল পড়ে রয়েছে। কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর নিহত শিশুটির বাসায় গিয়ে কথা হয় তার মা ও বড় বোনের সঙ্গে।

শিশুটির মা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সকালে বড় বোন…বাসার সামনেই চাচার বাসায় যাইবো। দুই বোনই বের হইছে। ওকে (নিহত শিশু) ধাক্কা মাইরা রাইখা গেছে। আমি ভেতরের রুমে। আমি ভাবছি, ওর সাথে চইলা গেছে। দুই মেয়ে গেছে। তার পাঁচ মিনিট পরই ও (বড় মেয়ে) আইসা পড়ছে। দেখি ও একা। তখনই ওরে (নিহত শিশু) খোঁজাখুঁজি করি। সব ধাক্কাইছি।’ এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

কান্না সামলে আবার বলেন, ‘বেশি সময় না, পাঁচ মিনিট। আমার মাইয়্যা দরজাটা খুইলা দাঁড়াইছে, ও মনে হয় টান দিয়া নিয়া গেছে। এই দরজা ধাক্কাইছি, উপরের দরজা ধাক্কাইছি। সব দরজা খুলছে, কিন্তু এই (সোহেলের বাসা) দরজা খুলে নাই। তাদের (সোহেল) সঙ্গে কোনো কথাই হয় নাই। বলিও নাই।…তবে কেন এমন হইয়া গেল?’

ওই নারী আরও বলেন, ‘একটা জুতা পড়া ছিল। হয়তো আমার মেয়ে একটা জুতা পরেছে, আরেকটা জুতা পরতে পারে নাই, টান দিয়া নিয়া গেছে। এই জুতাটা পইরা নিচে নামে। দরজার সামনে একটা পড়া, আরেকটা নাই। এর জন্যই ওই বাসার দরজাটা ধাক্কাইছি। সবার দরজা খুলছে, ওই দরজা খুলে নাই। পরে লোকজন এসে ভাঙছে।’

শিশুটির স্বজনেরা জানান, ছোট বোনকে এড়িয়ে চাচার বাসায় যাচ্ছিল বড় মেয়ে। কিন্তু ছোট বোন পেছন পেছন বের হয়ে আসায় ফিরে গিয়ে বোনকে বাসায় রেখে আবারও বের হয়ে যায় সে। কিন্তু তার পেছন পেছন আবারও বেরিয়ে আসে ছোট মেয়ে। বোনকে লুকিয়ে যেতেই আর পেছন ফিরে দেখেনি বড় মেয়ে। তবে বড় মেয়ে ফিরে আসতেই খোঁজ পড়ে ছোট মেয়ের। এরপর এক ফ্লোর থেকে অন্য ফ্লোর, এক বাসা থেকে অন্য বাসায় খুঁজতে শুরু করেন মা। কড়া নাড়েন সব দরজায়। কিন্তু সবাই দরজা খুললেও শিশুটির মায়ের ডাকে সাড়া দেননি পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটে সোহেল রানা (৩০) এবং তাঁর স্ত্রী স্বপ্না আক্তার (২৬)।

এ সময় নিহত শিশুটির বড় বোন বলে, ‘রাস্তার ওই পাশেই আমার চাচার বাসা। আমি চাচার বাসায় যাচ্ছিলাম। বোন আমার সাথে বের হতে চাইছে। আমি বলেছি, ঘরে যাও। এরপর আমি ওকে ঘরে ঢুকাইয়া তারপর বের হয়েছি। তখন আমি বের হয়েছি কি না দেখার জন্য বোন আবার গেটটা (ঘরের দরজা) খুলছে। আমি পিছে আর না তাকিয়ে চলে গেছি। তখনই দরজার বাইরে থেকে লোকটা ওকে টান দিয়ে ধরে নিয়ে গেছে। ও চিৎকার করেছিল। আম্মু শব্দ শুনছে।’

পরে শিশুটির মা আবার বলেন, ‘কোনো দিন একটা শব্দও ওদের সাথে আমাদের কোনো দিন হয়নি। কথাই বলিনি। ওরা ভাড়া আসছে, একটা শব্দও ওগো সাথে কোনো দিন হয় নাই।’ অভিযোগ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বাসার কেয়ারটেকার ফ্ল্যাট বাসায় ভাগ ভাগ করে অটোওয়ালাগো (অটোচালক) ভাড়া দিয়েছে। আমরা সারা দিন আতঙ্কে থাকি। অটোওয়ালারা ব্যাচেলর ভাড়া থাকে। বাসায় ওঠানামার সময় ভয়ে থাকতাম, কোন সময় জানি কারে টান দিয়া নিয়া যায়।’

জানা গেছে, ওই ভবনের মালিক বিদেশে থাকেন। তাঁর অবর্তমানে কেয়ারটেকার বাসা দেখাশোনা করেন। তিনি বাসাভাড়া দিয়ে থাকেন। শিশু হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা রিকশা গ্যারেজ মিস্ত্রি। ভবনের নিচেই ফুটপাতে রিকশার মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করতেন।

তবে দুপুরে বাসার কেয়ারটেকার মনিরকে খোঁজ করা হলে তাঁকে পাওয়া যায়নি।

এদিকে ঘটনার পর শিশুটির বাবা হতাশা প্রকাশ করে সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিচার আপনারা করতে পারবেন না। আপনাদের এই ধরনের কোনো রেকর্ড নেই। এইটা বড়জোর ১৫ দিন। এরপর আবার কোনো একটা ঘটনা ঘটবে। এটা তলে চলে যাবে। শেষ! শেষ এটা!’

গতকাল দুপুরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে শিশুটির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে মরদেহ দাফনের জন্য গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ঘটনার স্বীকারোক্তি দিয়ে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন আসামি সোহেল রানা।