Dhaka , Monday, 20 July 2026
News Title :
কুমিল্লায় ভবন নির্মাণের সময় মাটি খনন করতে গিয়ে বেরিয়ে এলো ৫০০…see more ব্রেকিং নিউজ >>> ৩ ঘন্টা পেছালো আর্জেন্টিনা – স্পেন এর ম্যাচ ….see more মানুষ এতটা খা’রাপ কিভাবে হয়, স্বামীর মৃ”ত্যুর পরপরই বিয়ে করেন নিজের আপন…see more ব্রেকিং নিউজ >>> ৩ ঘন্টা পেছালো আর্জেন্টিনা – স্পেন এর ম্যাচ ….see more হায়রে মা”নুষ এমন কাজ ও করতে পারে ,শেষ পর্যন্ত নিজের আপন….see more ব্রেকিং নিউজ >>> আবহাওয়া খারাপ এর কারনে ৩ ঘন্টা পেছালো আর্জেন্টিনা vs স্পেন ম্যাচ ….see more সাতক্ষীরার এলাকার চেয়ারম্যান মহিলাকে জুতা দিয়ে মারলো…see more চার বন্ধু সা’রা’রাত মেয়ে নিয়ে ফু*র্তি।সকালে উঠে জানতে পারে মেয়েটির ভা’ড়া…see more ব্রেকিং নিউজ>>> হ’ঠাৎ করে পদ’ত্যাগের ঘোষণা…. See more ফরিদপুর এলাকাবাসীর কাছে ধ’রা পড়লো ৩৫ বছরের ম’হিলা এবং তার আপন…see more
News Title :
কুমিল্লায় ভবন নির্মাণের সময় মাটি খনন করতে গিয়ে বেরিয়ে এলো ৫০০…see more ব্রেকিং নিউজ >>> ৩ ঘন্টা পেছালো আর্জেন্টিনা – স্পেন এর ম্যাচ ….see more মানুষ এতটা খা’রাপ কিভাবে হয়, স্বামীর মৃ”ত্যুর পরপরই বিয়ে করেন নিজের আপন…see more ব্রেকিং নিউজ >>> ৩ ঘন্টা পেছালো আর্জেন্টিনা – স্পেন এর ম্যাচ ….see more হায়রে মা”নুষ এমন কাজ ও করতে পারে ,শেষ পর্যন্ত নিজের আপন….see more ব্রেকিং নিউজ >>> আবহাওয়া খারাপ এর কারনে ৩ ঘন্টা পেছালো আর্জেন্টিনা vs স্পেন ম্যাচ ….see more সাতক্ষীরার এলাকার চেয়ারম্যান মহিলাকে জুতা দিয়ে মারলো…see more চার বন্ধু সা’রা’রাত মেয়ে নিয়ে ফু*র্তি।সকালে উঠে জানতে পারে মেয়েটির ভা’ড়া…see more ব্রেকিং নিউজ>>> হ’ঠাৎ করে পদ’ত্যাগের ঘোষণা…. See more ফরিদপুর এলাকাবাসীর কাছে ধ’রা পড়লো ৩৫ বছরের ম’হিলা এবং তার আপন…see more

১৬ বছর প্রবাস করে বাড়ি এসে দেখে বউ সন্তান টিনের ঘরে থাকে, অথচ বিল্ডিংয়ে…See more

  • Reporter Name
  • Update Time : 04:00 pm, Saturday, 4 July 2026
  • 143 Time View

১৬ বছর প্রবাস করে বাড়ি এসে দেখলেন স্ত্রী-সন্তান টিনের ঘরে, অথচ বিল্ডিংয়ে থাকেন নিজের বাবা-মা! এরপর যা ঘটল…

জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান ১৬টি বছর কাটিয়েছেন প্রবাসে। নিজের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য ত্যাগ করে দিন-রাত পরিশ্রম করেছেন শুধু একটি স্বপ্ন নিয়ে—পরিবারের মুখে হাসি ফোটাবেন, স্ত্রী-সন্তানকে ভালো রাখবেন এবং সবার জন্য একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলবেন।

কিন্তু দীর্ঘ ১৬ বছর পর দেশে ফিরে যে দৃশ্যটি তার চোখে পড়ল, তা যেন কোনোভাবেই বিশ্বাস করতে পারছিলেন না। বাড়ির পাশেই বহুতল ভবনে আরাম-আয়েশে বসবাস করছেন পরিবারের অন্য সদস্যরা। অথচ তার নিজের স্ত্রী ও সন্তান থাকছেন একটি ছোট্ট টিনের ঘরে, যেখানে বর্ষাকালে ছাদ দিয়ে পানি পড়ে, আর গরমের দিনে অসহনীয় পরিবেশে দিন কাটাতে হয়।

স্ত্রীর কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, সংসারে নানা কারণে তারা কখনোই সেই ভবনে থাকার সুযোগ পাননি। স্বামীকে দুশ্চিন্তায় ফেলতে চাননি বলেই এতদিন সব কষ্ট চেপে গিয়েছিলেন। সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে সবকিছু নীরবে সহ্য করেছেন।

এদিকে প্রতিবেশীদের অনেকেই জানান, প্রবাসী ওই ব্যক্তি নিয়মিত পরিবারের জন্য অর্থ পাঠাতেন। কিন্তু সেই অর্থ কোথায় এবং কীভাবে ব্যয় হয়েছে, তা নিয়ে এখন নানা প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায়ও আলোচনা শুরু হয়েছে।

ঘটনার পর প্রবাসী ব্যক্তি নিজের স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে নতুনভাবে জীবন শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বলেন, “পরিবারের জন্যই বিদেশে কষ্ট করেছি। যদি নিজের স্ত্রী-সন্তানই ভালো না থাকে, তাহলে সেই ত্যাগের মূল্য কোথায়?”

এই ঘটনাটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ শুধু বাড়িঘর নির্মাণের জন্য নয়; পরিবারের প্রতিটি সদস্যের নিরাপত্তা, সম্মান ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। প্রবাসীদের ত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন এবং পরিবারের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণই পারে এমন পরিস্থিতি এড়াতে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

কুমিল্লায় ভবন নির্মাণের সময় মাটি খনন করতে গিয়ে বেরিয়ে এলো ৫০০…see more

১৬ বছর প্রবাস করে বাড়ি এসে দেখে বউ সন্তান টিনের ঘরে থাকে, অথচ বিল্ডিংয়ে…See more

Update Time : 04:00 pm, Saturday, 4 July 2026

১৬ বছর প্রবাস করে বাড়ি এসে দেখলেন স্ত্রী-সন্তান টিনের ঘরে, অথচ বিল্ডিংয়ে থাকেন নিজের বাবা-মা! এরপর যা ঘটল…

জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান ১৬টি বছর কাটিয়েছেন প্রবাসে। নিজের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য ত্যাগ করে দিন-রাত পরিশ্রম করেছেন শুধু একটি স্বপ্ন নিয়ে—পরিবারের মুখে হাসি ফোটাবেন, স্ত্রী-সন্তানকে ভালো রাখবেন এবং সবার জন্য একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলবেন।

কিন্তু দীর্ঘ ১৬ বছর পর দেশে ফিরে যে দৃশ্যটি তার চোখে পড়ল, তা যেন কোনোভাবেই বিশ্বাস করতে পারছিলেন না। বাড়ির পাশেই বহুতল ভবনে আরাম-আয়েশে বসবাস করছেন পরিবারের অন্য সদস্যরা। অথচ তার নিজের স্ত্রী ও সন্তান থাকছেন একটি ছোট্ট টিনের ঘরে, যেখানে বর্ষাকালে ছাদ দিয়ে পানি পড়ে, আর গরমের দিনে অসহনীয় পরিবেশে দিন কাটাতে হয়।

স্ত্রীর কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, সংসারে নানা কারণে তারা কখনোই সেই ভবনে থাকার সুযোগ পাননি। স্বামীকে দুশ্চিন্তায় ফেলতে চাননি বলেই এতদিন সব কষ্ট চেপে গিয়েছিলেন। সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে সবকিছু নীরবে সহ্য করেছেন।

এদিকে প্রতিবেশীদের অনেকেই জানান, প্রবাসী ওই ব্যক্তি নিয়মিত পরিবারের জন্য অর্থ পাঠাতেন। কিন্তু সেই অর্থ কোথায় এবং কীভাবে ব্যয় হয়েছে, তা নিয়ে এখন নানা প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায়ও আলোচনা শুরু হয়েছে।

ঘটনার পর প্রবাসী ব্যক্তি নিজের স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে নতুনভাবে জীবন শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বলেন, “পরিবারের জন্যই বিদেশে কষ্ট করেছি। যদি নিজের স্ত্রী-সন্তানই ভালো না থাকে, তাহলে সেই ত্যাগের মূল্য কোথায়?”

এই ঘটনাটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ শুধু বাড়িঘর নির্মাণের জন্য নয়; পরিবারের প্রতিটি সদস্যের নিরাপত্তা, সম্মান ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। প্রবাসীদের ত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন এবং পরিবারের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণই পারে এমন পরিস্থিতি এড়াতে।