Dhaka , Saturday, 4 July 2026
News Title :
এই কারণে ভাইয়ের সামনেও…See more ব্রেকিং নিউজ! কিছুক্ষণ আগে ওবাইদুল কাদের ভারতের এ্যাপোলো হাসপাতালে… See more হায়রে মা”নুষ এমন কাজ ও করতে পারে ,শেষ পর্যন্ত নিজের আপন ব….See more নতুন করে গ্যাস সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করলো সরকার ১২কেজি সিলিন্ডারের দাম…See more অবশেষে গণভোটের রায় মানতে রাজি হলো বিএনপি, কিন্তু শর্ত হলো জামায়াতকে…see more স্বামী রাত 11 টাই ব্রাজিলের খেলা দেখতে গেলে স্ত্রী সেই সুযোগে ঘরে আনেন তার নিজের…see more পানিতে ডু’বে যাওয়া এই মেয়েটি ছিল প্রধানমন্ত্রীর ২য়…see more ১৬ বছর প্রবাস করে বাড়ি এসে দেখে বউ সন্তান টিনের ঘরে থাকে, অথচ বিল্ডিংয়ে…See more ব্রেকিং: দেশজুড়ে একদিনের ছুটি ঘোষণা..See more ১৬ বছর প্রবাস করে বাড়ি এসে দেখে বউ সন্তান টিনের ঘরে থাকে, অথচ বিল্ডিংয়ে…See more
News Title :
এই কারণে ভাইয়ের সামনেও…See more ব্রেকিং নিউজ! কিছুক্ষণ আগে ওবাইদুল কাদের ভারতের এ্যাপোলো হাসপাতালে… See more হায়রে মা”নুষ এমন কাজ ও করতে পারে ,শেষ পর্যন্ত নিজের আপন ব….See more নতুন করে গ্যাস সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করলো সরকার ১২কেজি সিলিন্ডারের দাম…See more অবশেষে গণভোটের রায় মানতে রাজি হলো বিএনপি, কিন্তু শর্ত হলো জামায়াতকে…see more স্বামী রাত 11 টাই ব্রাজিলের খেলা দেখতে গেলে স্ত্রী সেই সুযোগে ঘরে আনেন তার নিজের…see more পানিতে ডু’বে যাওয়া এই মেয়েটি ছিল প্রধানমন্ত্রীর ২য়…see more ১৬ বছর প্রবাস করে বাড়ি এসে দেখে বউ সন্তান টিনের ঘরে থাকে, অথচ বিল্ডিংয়ে…See more ব্রেকিং: দেশজুড়ে একদিনের ছুটি ঘোষণা..See more ১৬ বছর প্রবাস করে বাড়ি এসে দেখে বউ সন্তান টিনের ঘরে থাকে, অথচ বিল্ডিংয়ে…See more

১৬ বছর প্রবাস করে বাড়ি এসে দেখে বউ সন্তান টিনের ঘরে থাকে, অথচ বিল্ডিংয়ে…See more

১৬ বছর প্রবাস করে বাড়ি এসে দেখলেন স্ত্রী-সন্তান টিনের ঘরে, অথচ বিল্ডিংয়ে থাকেন নিজের বাবা-মা! এরপর যা ঘটল…

জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান ১৬টি বছর কাটিয়েছেন প্রবাসে। নিজের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য ত্যাগ করে দিন-রাত পরিশ্রম করেছেন শুধু একটি স্বপ্ন নিয়ে—পরিবারের মুখে হাসি ফোটাবেন, স্ত্রী-সন্তানকে ভালো রাখবেন এবং সবার জন্য একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলবেন।

কিন্তু দীর্ঘ ১৬ বছর পর দেশে ফিরে যে দৃশ্যটি তার চোখে পড়ল, তা যেন কোনোভাবেই বিশ্বাস করতে পারছিলেন না। বাড়ির পাশেই বহুতল ভবনে আরাম-আয়েশে বসবাস করছেন পরিবারের অন্য সদস্যরা। অথচ তার নিজের স্ত্রী ও সন্তান থাকছেন একটি ছোট্ট টিনের ঘরে, যেখানে বর্ষাকালে ছাদ দিয়ে পানি পড়ে, আর গরমের দিনে অসহনীয় পরিবেশে দিন কাটাতে হয়।

স্ত্রীর কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, সংসারে নানা কারণে তারা কখনোই সেই ভবনে থাকার সুযোগ পাননি। স্বামীকে দুশ্চিন্তায় ফেলতে চাননি বলেই এতদিন সব কষ্ট চেপে গিয়েছিলেন। সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে সবকিছু নীরবে সহ্য করেছেন।

এদিকে প্রতিবেশীদের অনেকেই জানান, প্রবাসী ওই ব্যক্তি নিয়মিত পরিবারের জন্য অর্থ পাঠাতেন। কিন্তু সেই অর্থ কোথায় এবং কীভাবে ব্যয় হয়েছে, তা নিয়ে এখন নানা প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায়ও আলোচনা শুরু হয়েছে।

ঘটনার পর প্রবাসী ব্যক্তি নিজের স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে নতুনভাবে জীবন শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বলেন, “পরিবারের জন্যই বিদেশে কষ্ট করেছি। যদি নিজের স্ত্রী-সন্তানই ভালো না থাকে, তাহলে সেই ত্যাগের মূল্য কোথায়?”

এই ঘটনাটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ শুধু বাড়িঘর নির্মাণের জন্য নয়; পরিবারের প্রতিটি সদস্যের নিরাপত্তা, সম্মান ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। প্রবাসীদের ত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন এবং পরিবারের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণই পারে এমন পরিস্থিতি এড়াতে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

এই কারণে ভাইয়ের সামনেও…See more

১৬ বছর প্রবাস করে বাড়ি এসে দেখে বউ সন্তান টিনের ঘরে থাকে, অথচ বিল্ডিংয়ে…See more

Update Time : One hour ago

১৬ বছর প্রবাস করে বাড়ি এসে দেখলেন স্ত্রী-সন্তান টিনের ঘরে, অথচ বিল্ডিংয়ে থাকেন নিজের বাবা-মা! এরপর যা ঘটল…

জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান ১৬টি বছর কাটিয়েছেন প্রবাসে। নিজের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য ত্যাগ করে দিন-রাত পরিশ্রম করেছেন শুধু একটি স্বপ্ন নিয়ে—পরিবারের মুখে হাসি ফোটাবেন, স্ত্রী-সন্তানকে ভালো রাখবেন এবং সবার জন্য একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলবেন।

কিন্তু দীর্ঘ ১৬ বছর পর দেশে ফিরে যে দৃশ্যটি তার চোখে পড়ল, তা যেন কোনোভাবেই বিশ্বাস করতে পারছিলেন না। বাড়ির পাশেই বহুতল ভবনে আরাম-আয়েশে বসবাস করছেন পরিবারের অন্য সদস্যরা। অথচ তার নিজের স্ত্রী ও সন্তান থাকছেন একটি ছোট্ট টিনের ঘরে, যেখানে বর্ষাকালে ছাদ দিয়ে পানি পড়ে, আর গরমের দিনে অসহনীয় পরিবেশে দিন কাটাতে হয়।

স্ত্রীর কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, সংসারে নানা কারণে তারা কখনোই সেই ভবনে থাকার সুযোগ পাননি। স্বামীকে দুশ্চিন্তায় ফেলতে চাননি বলেই এতদিন সব কষ্ট চেপে গিয়েছিলেন। সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে সবকিছু নীরবে সহ্য করেছেন।

এদিকে প্রতিবেশীদের অনেকেই জানান, প্রবাসী ওই ব্যক্তি নিয়মিত পরিবারের জন্য অর্থ পাঠাতেন। কিন্তু সেই অর্থ কোথায় এবং কীভাবে ব্যয় হয়েছে, তা নিয়ে এখন নানা প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায়ও আলোচনা শুরু হয়েছে।

ঘটনার পর প্রবাসী ব্যক্তি নিজের স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে নতুনভাবে জীবন শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বলেন, “পরিবারের জন্যই বিদেশে কষ্ট করেছি। যদি নিজের স্ত্রী-সন্তানই ভালো না থাকে, তাহলে সেই ত্যাগের মূল্য কোথায়?”

এই ঘটনাটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ শুধু বাড়িঘর নির্মাণের জন্য নয়; পরিবারের প্রতিটি সদস্যের নিরাপত্তা, সম্মান ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। প্রবাসীদের ত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন এবং পরিবারের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণই পারে এমন পরিস্থিতি এড়াতে।