চু/রি/র চে/ষ্টা করেছিলেন কি না, সেটি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়। কিন্তু কোনো অভিযোগে একজন মানুষকে কোমরে শি/কল বেঁ/ধে সড়কে টেনে নিয়ে যাওয়া, তাঁর কা %ন্না-আ %ত %ঙ্কের দৃশ্য ধারণ করা এবং সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া কোনোভাবেই স্বাভাবিক বা গ্রহণযোগ্য আচরণ হতে পারে না।
সিলেট নগরের শাহজালাল উপশহরের বি-ব্লক মসজিদ মার্কেট এলাকায় ঘটেছে এমনই এক ঘটনা। অ/ভি/যোগ, একটি দোকানের ক্যাশবাক্স থেকে টাকা নেওয়ার চে/ষ্টা করেছিলেন ২০ বছর বয়সী এক তরুণী। সিসিটিভি ফুটেজে তাঁকে ক্যাশবাক্স টানতে দেখা গেলেও তিনি টাকা নিয়েছেন কি না, তা স্পষ্ট নয়। পরে স্থানীয় কয়েকজন তাঁকে আটক করেন।
এরপর যা ঘটেছে, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।
সোমবার রাত প্রায় ১১টার দিকে ওই তরুণীর কোমরে শিকল ও তা/লা লা/গিয়ে তাঁকে সড়কে হাঁটানো হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, সামনে একজন শি/ক/ল ধরে তাঁকে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন। পেছনে কাঁ/দ/তে কাঁ/দ/তে তরুণী নিজের মুখ ঢাকার চেষ্টা করছেন। তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েকজনকে বলতে শোনা যায়,
কাঁ/দবেন না, মুখ খোলা রাখুন, মানুষ চিনবে।
ভিডিওটি মঙ্গলবার রাতে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে। পুলিশ দোকানের মালিক জাকির হোসেন, তাঁর ভাই মোজাক্কির হোসেন এবং বোরহান উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাঁদের বি/রু/দ্ধে তরুণীকে
আ/ট/কে রেখে নি/র্যা/তন, শ্লী/লতা/হানি এবং সেই ঘটনার ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে পুলিশ বাদী হয়ে মা/ম লা করেছে। পরে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। তথ্যসূত্র দৈনিক প্রথম আলো
অন্যদিকে, তরুণীর বি/রু/দ্ধে চু/রির চেষ্টার অভিযোগে কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ করেননি বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে স্থানীয়রা বিষয়টি নিজেরাই মীমাংসার কথা বলেছিলেন। পরে রাতে আবার খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তরুণীকে থানায় নিয়ে যায়। আদালতে পাঠানোর পর মুচলেকায় তিনি ছাড়া পেয়ে বাড়ি ফিরে যান। তাঁর বাড়ি সিলেটের দক্ষিণ সুরমায়।