একটি স’ন্তানের আ’/সায় কেচে গেছে ৩০টি বছ…see more

একটি সন্তানের আশায় কেটে গেছে ৩০টি বছর, তবুও অপেক্ষার শেষ হয়নি
বিয়ের পর প্রতিটি দম্পতির জীবনে সবচেয়ে বড় স্বপ্নগুলোর একটি হলো সন্তানের মুখ দেখা। ছোট্ট একটি শিশুর হাসি, তার প্রথম ডাক কিংবা বাবা-মা বলে ডাকার মুহূর্ত—এসব কল্পনা করেই অনেক পরিবার ভবিষ্যতের স্বপ্ন সাজায়। কিন্তু কারও কারও জীবনে সেই অপেক্ষা দীর্ঘ হতে হতে পার হয়ে যায় বছরের পর বছর।

একটি সন্তানের আশায় কেটে গেছে প্রায় ৩০টি বছর। জীবনের সোনালি সময়, যৌবন, সংসারের নানা উত্থান-পতন—সবকিছুর মধ্যেও তাদের মনের এক কোণে রয়ে গেছে একই আকাঙ্ক্ষা, একদিন হয়তো ঘর আলো করে আসবে একটি সন্তান।

সন্তান না হওয়ার কষ্ট শুধু শারীরিক বা চিকিৎসার বিষয় নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে গভীর মানসিক চাপ, সামাজিক নানা প্রশ্ন এবং কখনো কখনো পারিবারিক টানাপোড়েনও। দীর্ঘদিন ধরে সন্তান না হলে অনেক দম্পতিকে আত্মীয়-স্বজনের নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়। কারও কারও ক্ষেত্রে সেই প্রশ্ন ও সামাজিক চাপ মানসিকভাবে আরও কঠিন পরিস্থিতি তৈরি করে।

সন্তানের আশায় অনেকে বছরের পর বছর চিকিৎসকের পরামর্শ নেন। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা, চিকিৎসা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের সহায়ক প্রজনন চিকিৎসার চেষ্টা করেন। আবার অনেকেই অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারেন না। ফলে দীর্ঘ অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হয়ে ওঠে।

তবে সন্তান না হওয়াকে কখনোই শুধু নারীর সমস্যা হিসেবে দেখা উচিত নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে নারী ও পুরুষ—উভয়ের বিভিন্ন কারণেই সন্তান ধারণে সমস্যা হতে পারে। তাই দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও সন্তান না হলে দুজনেরই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

৩০ বছর অপেক্ষা করার গল্পটি তাই শুধু একটি সন্তান না

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *