Dhaka , Tuesday, 21 July 2026
News Title :
একসঙ্গে মৃ*ত্যুর সিদ্ধান্ত, যমুনায় ঝাঁপ দিলেন প্রেমিক; শেষ মুহূর্তে সরে গেলেন প্রেমিকা…..see more আজ থেকে সয়াবিন তেলের দাম নির্ধারণ করল সরকার ৫ লিটার সয়াবিন তেল…See more কলেজ শিক্ষার্থী এবং শিক্ষক এর সাথে ও সামাজিক কর্মকান্ডের কারণে…see more মেয়েটি বাবা-মাকে স্কুলে যাওয়ার নাম ধরে ফাঁকি দিয়ে দেখা করতে আসতো তার নিজের আপন….. See more শরিয়তপুরের ডিসি সাহেব! কট খেয়েছে…see more নানুর বাড়ি যাবে বলে মেয়ে ঘর থেকে বের হয়েছিল মা নিজেও জানে না মেয়ে তার আপন…. See more কোন_ধরনের_নারীর_যৌ_ন_ক্ষুধা_বেশী…See more স্পেনের দুই ফুটবলারকে কেন আঘাত করেছিলেন পারেদেস, কী ঘটেছিল?……see more মেসির উম্মতেরা, আর্জেন্টিনার যে সকল সাপোর্টাররা মেসিকে নবীর সাথে….see more ফাইনালের স্পেনের পক্ষে গেছে ঠিকই, কিন্তু গোলপোস্টের নিচে এমিলিয়ানো… See more
News Title :
একসঙ্গে মৃ*ত্যুর সিদ্ধান্ত, যমুনায় ঝাঁপ দিলেন প্রেমিক; শেষ মুহূর্তে সরে গেলেন প্রেমিকা…..see more আজ থেকে সয়াবিন তেলের দাম নির্ধারণ করল সরকার ৫ লিটার সয়াবিন তেল…See more কলেজ শিক্ষার্থী এবং শিক্ষক এর সাথে ও সামাজিক কর্মকান্ডের কারণে…see more মেয়েটি বাবা-মাকে স্কুলে যাওয়ার নাম ধরে ফাঁকি দিয়ে দেখা করতে আসতো তার নিজের আপন….. See more শরিয়তপুরের ডিসি সাহেব! কট খেয়েছে…see more নানুর বাড়ি যাবে বলে মেয়ে ঘর থেকে বের হয়েছিল মা নিজেও জানে না মেয়ে তার আপন…. See more কোন_ধরনের_নারীর_যৌ_ন_ক্ষুধা_বেশী…See more স্পেনের দুই ফুটবলারকে কেন আঘাত করেছিলেন পারেদেস, কী ঘটেছিল?……see more মেসির উম্মতেরা, আর্জেন্টিনার যে সকল সাপোর্টাররা মেসিকে নবীর সাথে….see more ফাইনালের স্পেনের পক্ষে গেছে ঠিকই, কিন্তু গোলপোস্টের নিচে এমিলিয়ানো… See more

কতটা ভ/য়া”বহ সং/ঘর্ষ হলে আরেকটি বাসের চালা উড়ে যেতে পারে ভাবা…

  • Reporter Name
  • Update Time : 03:18 pm, Tuesday, 9 June 2026
  • 1035 Time View

একটি বাসের ছাদ উড়ে যাওয়া আর অন্য বাসটির গাছের সঙ্গে ধাক্কা খাওয়ার ঘটনাই বলে দিচ্ছে সংঘর্ষ কতটা ভয়াবহ ছিল।

সোমবার (০৮ জুন) বিকেলে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়ার মেদাকচ্ছপিয়া ঢালায় এই দুর্ঘটনায় প্রাণ ঝরেছে দুইজনের, আহত হয়েছেন তিন ডজনের বেশি যাত্রী। দীর্ঘ চার ঘণ্টা মহাসড়ক অচল থাকার পর স্বাভাবিক হয়েছে যান চলাচল। তবে বর্ষাকালে মহাসড়কে বেপরোয়া গতি এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার জন্য দায়ী বলছে বিআরটিএ।

বৃষ্টিভেজা বিকেল। চকরিয়ার মেদাকচ্ছপিয়া ঢালায় মুহূর্তেই রণক্ষেত্রে পরিণত হয় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক। মুখোমুখি সংঘর্ষে দুমড়ে-মুচড়ে যায় দুটি যাত্রীবাহী বাস। বিকট শব্দে উড়ে যায় একটি বাসের ছাদ। সড়কে ছড়িয়ে পড়ে যাত্রীদের আসন, মালপত্র আর রক্তাক্ত মানুষের আর্তনাদ।

সোমবার বিকেল ৩ টার দিকে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামগামী এভারগ্রিন পরিবহনের একটি এসি বাসের সঙ্গে চকরিয়া থেকে কক্সবাজারমুখী একটি লোকাল বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় লোকাল বাসটির ছাদ ছিটকে পড়ে সড়কের ওপর। অপর বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের গাছে ধাক্কা খায়। দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান এক শিশু ও এক বাসচালক। আহত হন অন্তত ৩৩ জন। যাদের মধ্যে গুরুতর ১৫ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে পাঠানো হয়।Tourist Destinations

দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সেলিম উদ্দিন বলেন, দুর্ঘটনা যখন ঘটে তখন বৃষ্টি হচ্ছিল। চকরিয়া থেকে কক্সবাজারের যাচ্ছিল একটি লোকাল বাস। আর এভারগ্রিন নামের এসি বাসটি কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামের দিকে যাচ্ছিল। ছাদ উড়ে যাওয়া লোকাল বাসটি বৃষ্টির কারণে হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারায়। এতে চট্টগ্রামমুখী এসি বাসটির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। তখন এসি বাসটিও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের গাছের সঙ্গে ধাক্কা খায়। সংঘর্ষে চোখের সামনেই বিকট শব্দে উড়ে যায় একটি বাসের ছাদ। দুর্ঘটনায় লোকাল বাস থেকে একটি শিশু নিচে ছিটকে পড়ে মারা যায়। বাসটির চালকও গুরুতর আহত হন। এরপর স্থানীয়রা দ্রুত এসে মানুষকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

চকরিয়ার মালুমঘাট হাইওয়ে থানার ওসি মাহবুব আলম জানান, নিহত ব্যক্তিরা হলেন কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার মরিচ্যা এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে ও বাসচালক মোহাম্মদ আলী (২৫) এবং লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নের বানিয়ারছড়া এলাকার মঞ্জুর আলীর এক বছর বয়সী সন্তান ইয়াহিয়া।

দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের নাম জানা গেছে বলে জানিয়েছে মালুমঘাট হাইওয়ে পুলিশ। আহতরা হলেন মো. জাহাঙ্গীর আলম (৩৫), মোহাম্মদ নাইম (২৩), মাবুদ আবদুল (২৭), জোসনা আক্তার ৩২), মোহাম্মদ জনি (২০), মো. আলী (৩১), ইমা (৮), ফাতেমা বেগম (৩৪), মো. রফিকুল ইসলাম (২৭), মোহাম্মদ ইসমাইল (২৯) ও মোহাম্মদ সিফাত (৩৫)। অন্যদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।

এদিকে মালুমঘাট খ্রীষ্টান মেমোরিয়াল হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসা দিচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাদের মধ্যে অনেক অবস্থা আশঙ্কাজনক।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, তাদের হাসপাতালে ২৮ জন আহতকে আনা হয়। তাদের মধ্যে একজন মারা গেছে। বাকিদের অনেকের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। আর ১৫ জন মতো উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে।

চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের দেয়া তথ্য মতে, দুর্ঘটনার আহতদের মধ্যে ৫ জনকে তাদের হাসপাতালে আনা হয়। সেখানে এক শিশুকে হাসপাতালে আনার আগেই মৃত্যু হয়। বাকিদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

এদিকে দুর্ঘটনার পর মহাসড়কের দুই পাশে প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। শত শত যানবাহন ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকা পড়ে। পরে হাইওয়ে পুলিশ উদ্ধার অভিযান চালিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত বাস দুটি সরিয়ে নেয়। তারপর সন্ধ্যা ৭টার দিকে স্বাভাবিক হয় কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যান চলাচল।

দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি- মহাসড়কে বেপরোয়া গতি এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার জন্য দায়ী।

কক্সবাজার বিআরটিএর মেকানিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট মোহাম্মদ ইউছুফ বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে ছুটে আসি। সেখানে প্রত্যক্ষদর্শী ও আহতদের সঙ্গে কথা বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বর্ষাকালে পিচ্ছিল মহাসড়কে অতিরিক্ত ও বেপরোয়া গতিই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। এছাড়া নিহতদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে সরকারি সহায়তা পাওয়ার বিষয়েও তাদের অবহিত করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

একসঙ্গে মৃ*ত্যুর সিদ্ধান্ত, যমুনায় ঝাঁপ দিলেন প্রেমিক; শেষ মুহূর্তে সরে গেলেন প্রেমিকা…..see more

কতটা ভ/য়া”বহ সং/ঘর্ষ হলে আরেকটি বাসের চালা উড়ে যেতে পারে ভাবা…

Update Time : 03:18 pm, Tuesday, 9 June 2026

একটি বাসের ছাদ উড়ে যাওয়া আর অন্য বাসটির গাছের সঙ্গে ধাক্কা খাওয়ার ঘটনাই বলে দিচ্ছে সংঘর্ষ কতটা ভয়াবহ ছিল।

সোমবার (০৮ জুন) বিকেলে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়ার মেদাকচ্ছপিয়া ঢালায় এই দুর্ঘটনায় প্রাণ ঝরেছে দুইজনের, আহত হয়েছেন তিন ডজনের বেশি যাত্রী। দীর্ঘ চার ঘণ্টা মহাসড়ক অচল থাকার পর স্বাভাবিক হয়েছে যান চলাচল। তবে বর্ষাকালে মহাসড়কে বেপরোয়া গতি এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার জন্য দায়ী বলছে বিআরটিএ।

বৃষ্টিভেজা বিকেল। চকরিয়ার মেদাকচ্ছপিয়া ঢালায় মুহূর্তেই রণক্ষেত্রে পরিণত হয় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক। মুখোমুখি সংঘর্ষে দুমড়ে-মুচড়ে যায় দুটি যাত্রীবাহী বাস। বিকট শব্দে উড়ে যায় একটি বাসের ছাদ। সড়কে ছড়িয়ে পড়ে যাত্রীদের আসন, মালপত্র আর রক্তাক্ত মানুষের আর্তনাদ।

সোমবার বিকেল ৩ টার দিকে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামগামী এভারগ্রিন পরিবহনের একটি এসি বাসের সঙ্গে চকরিয়া থেকে কক্সবাজারমুখী একটি লোকাল বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় লোকাল বাসটির ছাদ ছিটকে পড়ে সড়কের ওপর। অপর বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের গাছে ধাক্কা খায়। দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান এক শিশু ও এক বাসচালক। আহত হন অন্তত ৩৩ জন। যাদের মধ্যে গুরুতর ১৫ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে পাঠানো হয়।Tourist Destinations

দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সেলিম উদ্দিন বলেন, দুর্ঘটনা যখন ঘটে তখন বৃষ্টি হচ্ছিল। চকরিয়া থেকে কক্সবাজারের যাচ্ছিল একটি লোকাল বাস। আর এভারগ্রিন নামের এসি বাসটি কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামের দিকে যাচ্ছিল। ছাদ উড়ে যাওয়া লোকাল বাসটি বৃষ্টির কারণে হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারায়। এতে চট্টগ্রামমুখী এসি বাসটির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। তখন এসি বাসটিও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের গাছের সঙ্গে ধাক্কা খায়। সংঘর্ষে চোখের সামনেই বিকট শব্দে উড়ে যায় একটি বাসের ছাদ। দুর্ঘটনায় লোকাল বাস থেকে একটি শিশু নিচে ছিটকে পড়ে মারা যায়। বাসটির চালকও গুরুতর আহত হন। এরপর স্থানীয়রা দ্রুত এসে মানুষকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

চকরিয়ার মালুমঘাট হাইওয়ে থানার ওসি মাহবুব আলম জানান, নিহত ব্যক্তিরা হলেন কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার মরিচ্যা এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে ও বাসচালক মোহাম্মদ আলী (২৫) এবং লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নের বানিয়ারছড়া এলাকার মঞ্জুর আলীর এক বছর বয়সী সন্তান ইয়াহিয়া।

দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের নাম জানা গেছে বলে জানিয়েছে মালুমঘাট হাইওয়ে পুলিশ। আহতরা হলেন মো. জাহাঙ্গীর আলম (৩৫), মোহাম্মদ নাইম (২৩), মাবুদ আবদুল (২৭), জোসনা আক্তার ৩২), মোহাম্মদ জনি (২০), মো. আলী (৩১), ইমা (৮), ফাতেমা বেগম (৩৪), মো. রফিকুল ইসলাম (২৭), মোহাম্মদ ইসমাইল (২৯) ও মোহাম্মদ সিফাত (৩৫)। অন্যদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।

এদিকে মালুমঘাট খ্রীষ্টান মেমোরিয়াল হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসা দিচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাদের মধ্যে অনেক অবস্থা আশঙ্কাজনক।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, তাদের হাসপাতালে ২৮ জন আহতকে আনা হয়। তাদের মধ্যে একজন মারা গেছে। বাকিদের অনেকের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। আর ১৫ জন মতো উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে।

চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের দেয়া তথ্য মতে, দুর্ঘটনার আহতদের মধ্যে ৫ জনকে তাদের হাসপাতালে আনা হয়। সেখানে এক শিশুকে হাসপাতালে আনার আগেই মৃত্যু হয়। বাকিদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

এদিকে দুর্ঘটনার পর মহাসড়কের দুই পাশে প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। শত শত যানবাহন ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকা পড়ে। পরে হাইওয়ে পুলিশ উদ্ধার অভিযান চালিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত বাস দুটি সরিয়ে নেয়। তারপর সন্ধ্যা ৭টার দিকে স্বাভাবিক হয় কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যান চলাচল।

দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি- মহাসড়কে বেপরোয়া গতি এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার জন্য দায়ী।

কক্সবাজার বিআরটিএর মেকানিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট মোহাম্মদ ইউছুফ বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে ছুটে আসি। সেখানে প্রত্যক্ষদর্শী ও আহতদের সঙ্গে কথা বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বর্ষাকালে পিচ্ছিল মহাসড়কে অতিরিক্ত ও বেপরোয়া গতিই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। এছাড়া নিহতদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে সরকারি সহায়তা পাওয়ার বিষয়েও তাদের অবহিত করা হয়েছে।