Dhaka , সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
পটুয়াখালীতে স্ত্রী হাতে স্বামী… কী পরিমাণ অমা/নুষ এরা একবার ভাবুন! এরা বাপ’বেটা মিলে নিজেদের আপন… পটুয়াখালীতে স্ত্রী হাতে স্বামী… কী পরিমা’ণ অ’মানুষ এরা এক’বার ভাবুন! এরা ৩ ভা’ইয়ে মিলে নিজে’র আপ’ন সাদিক কায়েম যাকে বিয়ে করেছে সে আর কেউ নয়, সে জামাত আমীরের একমাত্র… বাবা মা জো’র করে মেয়েটাকে বিয়ে দেয়,মেয়েটি বাসর রাতে জানতে পারে তার স্বামী… এই যুবতী মেয়ে ওড়না ছাড়া কারওয়ান বাজারে যায় আর এই ভদ্রলোক বলে মা তুমি… মেয়েটি বাসর ঘরে ঢুকে সবার কাছে দোয়া চেয়ে বলে যে আমার স্বামী… কুমিল্লায় ভবন নির্মাণের সময় মাটি খনন করতে গিয়ে বেরিয়ে এলো ৫০০… এত সুন্দর দাড়িগুলো সে করলোটা কি! দাড়ি কাটার ৩০ মিনিট পর ঘটে গেলো..
News Title :
পটুয়াখালীতে স্ত্রী হাতে স্বামী… কী পরিমাণ অমা/নুষ এরা একবার ভাবুন! এরা বাপ’বেটা মিলে নিজেদের আপন… পটুয়াখালীতে স্ত্রী হাতে স্বামী… কী পরিমা’ণ অ’মানুষ এরা এক’বার ভাবুন! এরা ৩ ভা’ইয়ে মিলে নিজে’র আপ’ন সাদিক কায়েম যাকে বিয়ে করেছে সে আর কেউ নয়, সে জামাত আমীরের একমাত্র… বাবা মা জো’র করে মেয়েটাকে বিয়ে দেয়,মেয়েটি বাসর রাতে জানতে পারে তার স্বামী… এই যুবতী মেয়ে ওড়না ছাড়া কারওয়ান বাজারে যায় আর এই ভদ্রলোক বলে মা তুমি… মেয়েটি বাসর ঘরে ঢুকে সবার কাছে দোয়া চেয়ে বলে যে আমার স্বামী… কুমিল্লায় ভবন নির্মাণের সময় মাটি খনন করতে গিয়ে বেরিয়ে এলো ৫০০… এত সুন্দর দাড়িগুলো সে করলোটা কি! দাড়ি কাটার ৩০ মিনিট পর ঘটে গেলো..

গাজীপুরে সদ্য নতুন বিবাহ করে বা’সর ঘরে গভীর রাতে ব’উ জানতে পারলো স্বা’মী..

  • Reporter Name
  • Update Time : ১৬ ঘন্টা আগে
  • ৪২৩৯ Time View

পৃথিবীতে কতই না আজব ঘটনা ঘটে। কিন্তু ভারতের রাজস্থানের একটি প্রত্যন্ত গ্রামে রয়েছে এক অদ্ভুত রীতি। অদ্ভুত রীতিটি শুনলে হয়তো আপনি চমকে উঠবেন। এই গ্রামের প্রত্যেক পুরুষকেই দুবার করে বিয়ে করতে হয়।

ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের কাছে রাজস্থানের ছোট গ্রাম দেরাসর। বারমের জেলার ওই গ্রামের প্রত্যেক পুরুষেদেরাসর গ্রামে প্রায় ৬০০ মানুষের বাস। মূলত মুসলিম-অধ্যুষিত গ্রামটিতে সব মিলিয়ে ৭০টি পরিবার রয়েছে। গ্রামবাসীদের দাবি, প্রত্যেক পরিবারই বিয়ে নিয়ে ওই একই রীতি মেনে চলে।

গ্রামবাসীরা জানান, বহু দিন ধরেই ওই প্রথা চলে আসছে। এখনও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ইসলাম ধর্মে বহু বিবাহের অনুমতি রয়েছে। কিন্তু ওই গ্রামে একপ্রকার জোর করেই ছেলেদের দ্বিতীয়বার বিয়ে দিতে বাধ্য করে তাদের পরিবার।

রই দুবার বিয়ে বাধ্যতামূলক।

এমন রীতির পেছনে রয়েছে অদ্ভুত কারণ। গ্রামবাসীদের দাবি, আগে গ্রামে যতজন পুরুষ বিয়ে করতেন, তাদের কারোরই প্রথম স্ত্রীর সন্তান হতো না। দ্বিতীয়বার বিয়ের পরেই সেই স্ত্রীর গর্ভে সন্তান আসত। বহুকাল ধরে এমন ঘটনাই ঘটে আসছে ওই গ্রামে এবং সেটাকেই রীতি হিসেবে অনুসরণ করে চলেছেন গ্রামবাসীরা।

এখনও ওই গ্রামে এমন ঘটনাই ঘটে বলে জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা। যদিও এই ঘটনার কোনও ব্যাখ্যা দিতে পারেননি কেউই। গ্রামবাসীদের কথায়, প্রথমবার বিয়ের পর অনেকেই দীর্ঘকাল সন্তানের জন্য অপেক্ষা করেছেন, এ রকম উদাহরণ প্রচুর রয়েছে। কিন্তু আশা পূরণ হয়নি। দ্বিতীয়বার বিয়ের পরেই তাদের ঘরে সন্তান এসেছে।

দ্বিতীয়বার বিয়েকে ওই গ্রামে শুভ কাজ বলেই মনে করা হয়। প্রথম স্ত্রীও তার সতীনের সঙ্গে বেশ মানিয়ে গুছিয়েই ঘর করেন। তার সন্তানদেরও নিজের সন্তান মনে করেই বড় করে তোলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

পটুয়াখালীতে স্ত্রী হাতে স্বামী…

গাজীপুরে সদ্য নতুন বিবাহ করে বা’সর ঘরে গভীর রাতে ব’উ জানতে পারলো স্বা’মী..

Update Time : ১৬ ঘন্টা আগে

পৃথিবীতে কতই না আজব ঘটনা ঘটে। কিন্তু ভারতের রাজস্থানের একটি প্রত্যন্ত গ্রামে রয়েছে এক অদ্ভুত রীতি। অদ্ভুত রীতিটি শুনলে হয়তো আপনি চমকে উঠবেন। এই গ্রামের প্রত্যেক পুরুষকেই দুবার করে বিয়ে করতে হয়।

ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের কাছে রাজস্থানের ছোট গ্রাম দেরাসর। বারমের জেলার ওই গ্রামের প্রত্যেক পুরুষেদেরাসর গ্রামে প্রায় ৬০০ মানুষের বাস। মূলত মুসলিম-অধ্যুষিত গ্রামটিতে সব মিলিয়ে ৭০টি পরিবার রয়েছে। গ্রামবাসীদের দাবি, প্রত্যেক পরিবারই বিয়ে নিয়ে ওই একই রীতি মেনে চলে।

গ্রামবাসীরা জানান, বহু দিন ধরেই ওই প্রথা চলে আসছে। এখনও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ইসলাম ধর্মে বহু বিবাহের অনুমতি রয়েছে। কিন্তু ওই গ্রামে একপ্রকার জোর করেই ছেলেদের দ্বিতীয়বার বিয়ে দিতে বাধ্য করে তাদের পরিবার।

রই দুবার বিয়ে বাধ্যতামূলক।

এমন রীতির পেছনে রয়েছে অদ্ভুত কারণ। গ্রামবাসীদের দাবি, আগে গ্রামে যতজন পুরুষ বিয়ে করতেন, তাদের কারোরই প্রথম স্ত্রীর সন্তান হতো না। দ্বিতীয়বার বিয়ের পরেই সেই স্ত্রীর গর্ভে সন্তান আসত। বহুকাল ধরে এমন ঘটনাই ঘটে আসছে ওই গ্রামে এবং সেটাকেই রীতি হিসেবে অনুসরণ করে চলেছেন গ্রামবাসীরা।

এখনও ওই গ্রামে এমন ঘটনাই ঘটে বলে জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা। যদিও এই ঘটনার কোনও ব্যাখ্যা দিতে পারেননি কেউই। গ্রামবাসীদের কথায়, প্রথমবার বিয়ের পর অনেকেই দীর্ঘকাল সন্তানের জন্য অপেক্ষা করেছেন, এ রকম উদাহরণ প্রচুর রয়েছে। কিন্তু আশা পূরণ হয়নি। দ্বিতীয়বার বিয়ের পরেই তাদের ঘরে সন্তান এসেছে।

দ্বিতীয়বার বিয়েকে ওই গ্রামে শুভ কাজ বলেই মনে করা হয়। প্রথম স্ত্রীও তার সতীনের সঙ্গে বেশ মানিয়ে গুছিয়েই ঘর করেন। তার সন্তানদেরও নিজের সন্তান মনে করেই বড় করে তোলেন।