Dhaka , বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
ঢাকায় ভাগ্নির অভিযোগে মামা আটক। মেয়েটি বলে, গত ৬ মাসে তিনি মোট ৪১ বার.. মি’লনে সর্বোচ্চ আনন্দ পেতে ট্রাই করুন এই 2 টি পজিশন.. গাজীপুরে সদ্য নতুন বিবাহ করে বা’সর ঘরে গভীর রাতে ব’উ জানতে পারলো স্বা’মী.. কী পরিমা’ণ অ’মানুষ এরা এক’বার ভাবুন! এরা ৩ ভা’ইয়ে মিলে নিজে’র আপ’ন প্রেমিকা লা ‘থি দিয়ে চলে গেলো কিন্তুু তার বোরখার নিচে কিছু.. গভীর রাতে গার্মেন্টস কর্মী ডিউটি শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে ধান ক্ষেতে নিয়ে গ… স্কুল থেকে ফেরার পর মেয়ের ড্রেস খু”লতে যাচ্ছিল, হঠাৎ শার্টের পকেটে হাত দিতে ২০২৬ সালে বাংলাদেশে পবিত্র ঈদুল আযহা বা কোরবানির ঈদ আগামী হায়রে মানুষ কেমনে পারলো এই কাজ করতে। স্বামী বাসায় না থাকায় নিজের মে… কিস করার সময় জিহ্বার ব্যবহার সম্পর্কে যা জানা সবার জন্য জরুরী…
News Title :
ঢাকায় ভাগ্নির অভিযোগে মামা আটক। মেয়েটি বলে, গত ৬ মাসে তিনি মোট ৪১ বার.. মি’লনে সর্বোচ্চ আনন্দ পেতে ট্রাই করুন এই 2 টি পজিশন.. গাজীপুরে সদ্য নতুন বিবাহ করে বা’সর ঘরে গভীর রাতে ব’উ জানতে পারলো স্বা’মী.. কী পরিমা’ণ অ’মানুষ এরা এক’বার ভাবুন! এরা ৩ ভা’ইয়ে মিলে নিজে’র আপ’ন প্রেমিকা লা ‘থি দিয়ে চলে গেলো কিন্তুু তার বোরখার নিচে কিছু.. গভীর রাতে গার্মেন্টস কর্মী ডিউটি শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে ধান ক্ষেতে নিয়ে গ… স্কুল থেকে ফেরার পর মেয়ের ড্রেস খু”লতে যাচ্ছিল, হঠাৎ শার্টের পকেটে হাত দিতে ২০২৬ সালে বাংলাদেশে পবিত্র ঈদুল আযহা বা কোরবানির ঈদ আগামী হায়রে মানুষ কেমনে পারলো এই কাজ করতে। স্বামী বাসায় না থাকায় নিজের মে… কিস করার সময় জিহ্বার ব্যবহার সম্পর্কে যা জানা সবার জন্য জরুরী…

কী পরিমা’ণ অ’মানুষ এরা এক’বার ভাবুন! এরা ৩ ভা’ইয়ে মিলে নিজে’র আপ’ন

  • Reporter Name
  • Update Time : এক ঘন্টা আগে
  • ১১১ Time View

কোনমতে ঘাড় নেড়ে ভালো বললো রিনি। ওর কোমরে তখন প্রণব নিজের গরম লোহার ডান্ডার মত শক্ত মোটকা বাড়াটাকে চেপে ধরেছে। পুরুষাঙ্গের সাথে এই প্রথম পরিচয় রিনির নরম শরীরের। সারা শরীরে আবার কাঁপুনি এসে গেলো। এত শক্ত ! এত গরম ! এত বড় ! বন্ধুদের মুখে শোনা আর বাস্তবে নিজের কোমরের উপর স্পর্শ পাওয়া একদম আলাদা হাড়ে হাড়ে টের পেল রিনি। ওর মাখনের মতো গুদ আরো ভিজে গেল। দুধের বোঁটা গুলো কি চুলকাতে শুরু করে দিলো ! উফফফফ! রিনি আরো ছটফটানি শুরু করলো। ঠিক এই সময়েই ওকে ছেড়ে দিলো প্রণব। এটাই প্রণব চায়। খিদে জাগিয়ে ছেড়ে দাও। ও এবার নিজেই আসবে। কিন্তু রিনি ছাড়া পেয়েই জড়সড় হয়ে জামা কাপড় ঠিক করে খাটের কোণায় গিয়ে বসল। হঠাৎ আলো চলে এল। প্রণব ওকে ভালো করে দেখছিল। রিনির রসালো ঠোঁট দুটো আরো লাল হয়ে গেছে প্রণবের ঠোঁটের চাপে। রিনিকে বললো,

– দ্যাখ, যা বৃষ্টি হচ্ছে তাতে তুই আর এখন বাড়ি যেতে পারবি না। আর সেই কারণেই আমি যা যা বলব করব সব চুপচাপ মেনে নিবি। কেউ যেন জানতে না পারে। মনে থাকবে ?

কোনরকমে মাথা নিচু করে রিনি সায় দিল। রিনির সায় পেয়ে প্রণব উঠে দাঁড়ালো। চা দুটো এখনও গরম আছে। ওর কাপটা ওকে এগিয়ে দিয়ে ওর পাশে বসে এক হাতে আবার ওকে জড়িয়ে ধরে নিজের কাছে টেনে নিলো। বললো

– নে চা টা খা। আজ আর অঙ্ক নয়। তোকে আজ একদম অন্য একটা জিনিস শেখাবো। যেটা তোর ভবিষ্যৎ জীবনে কাজে লাগবে। আজ আমরা নারী পুরুষের শরীরের শিক্ষা নেবো।

 

রিনির সেক্স সম্বন্ধে তেমন জ্ঞান না থাকলেও ও বুঝে গেল আজ ওর আর পালানোর পথ নেই। চা শেষ করে নিজের আর ওর কাপ সরিয়ে রাখল প্রণব। খেয়াল করলো রিনি চা প্রায় খেতেই পারে নি রিনি। ওকে টেনে নিয়ে নিজের বুকে আবার চেপে ধরে সরাসরি ওর স্তনে হাত রাখলো প্রণব। নরম তুলতুলে মাংস পিন্ড দুটো। এত নরম যে মনে হচ্ছে প্রণবের হাতের মধ্যে গলে যাবে। সাইজ বেশি বড় নয়। রিনিকে এমন ভাবে নিজের শরীরের সাথে চেপে ধরলো যাতে রিনি বাধা দিতে না পারে। বাঁ হাত দিয়ে ওর পিঠের পিছন দিয়ে ওর বাঁ হাত টা চেপে ধরলো আর ওর ডান হাত টা রাখল নিজের পিঠের পিছনে।

 

ব্যাস। রিনির আর নড়াচড়া করার উপায় নেই। তাও একবার কোনমতে বললো, স্যার প্লিজ স্যার ছেড়ে দিন। এমন করবেন না স্যার! প্রণবের তখন নেশা হয়ে গেছে। ওসব শোনার সময় কোথায়। দুটো মাখনের তাল চটকাতে ব্যস্ত ও। তবু রিনিকে চুপ করাতে ওর ঠোঁটে নিজের গরম ঠোঁট চেপে ধরলো ও। রিনি ছটফট করতে লাগলো। এবার ওর কামিজের নিচ দিয়ে হাত ঢোকালো প্রণব। সরাসরি দুদুর উপর নিয়ে গেলো।

 

ব্রা এর নিচ দিয়ে ঢুকিয়ে দিল নিজের হাতের থাবা। নরম ঠান্ডা মাখনের মত মাংস পিন্ড দুটো চটকাতে লাগলো মনের সুখে। এত নরম মাই আগে কোনদিনও পায়নি প্রণব। ভীষণ চুষতে ইচ্ছে করছিল। কিন্তু রিনিকে আরো গরম করতে হবে। নইলে ওকে ল্যাংটো করা যাবে না। রিনির একটা ভাললাগা সারা দেহে ছড়িয়ে পড়ছিল। ঠিক এই চটকানোর জন্যই যেন ওর দুধ দুটো অপেক্ষা করছিল। ওর চোখ বন্ধ। ওর ঠোঁট থেকে ঠোঁট সরিয়ে রিনির কানে হাল্কা করে কামড় দিল প্রণব।

 

কানের মধ্যেই ওর গরম নিশ্বাসের সাথে সাথে ওর কানের ফুটোর মধ্যে জিভ ঢুকিয়ে দিল প্রণব। সারা শরীরটা থরথর করে কাঁপছিল রিনির। বাধা দেওয়ার প্রশ্নই নেই। সেই অসার অবস্থাতেই টের পেল ওর সালোয়ারের ফিতে খুলে দিল স্যার। স্যারের হাত ওর প্যান্টির ভিতরে ঢুকে পড়ল। ওর নরম তুলতুলে রসে জবজবে গুদে স্যারের মোটা মোটা শক্ত আঙ্গুল গুলো ঘুরে বেড়াচ্ছে। ভীষণ উত্তেজিত প্রণব নিজেও। এত নরম গুদ ! ইসস মেয়েটা একেবারে আনকোরা। ওর বোধহয় বয়ফ্রেন্ডও নেই। নইলে এই মাখন দুধ আর গুদ কেউ ছাড়ে ?

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ঢাকায় ভাগ্নির অভিযোগে মামা আটক। মেয়েটি বলে, গত ৬ মাসে তিনি মোট ৪১ বার..

কী পরিমা’ণ অ’মানুষ এরা এক’বার ভাবুন! এরা ৩ ভা’ইয়ে মিলে নিজে’র আপ’ন

Update Time : এক ঘন্টা আগে

কোনমতে ঘাড় নেড়ে ভালো বললো রিনি। ওর কোমরে তখন প্রণব নিজের গরম লোহার ডান্ডার মত শক্ত মোটকা বাড়াটাকে চেপে ধরেছে। পুরুষাঙ্গের সাথে এই প্রথম পরিচয় রিনির নরম শরীরের। সারা শরীরে আবার কাঁপুনি এসে গেলো। এত শক্ত ! এত গরম ! এত বড় ! বন্ধুদের মুখে শোনা আর বাস্তবে নিজের কোমরের উপর স্পর্শ পাওয়া একদম আলাদা হাড়ে হাড়ে টের পেল রিনি। ওর মাখনের মতো গুদ আরো ভিজে গেল। দুধের বোঁটা গুলো কি চুলকাতে শুরু করে দিলো ! উফফফফ! রিনি আরো ছটফটানি শুরু করলো। ঠিক এই সময়েই ওকে ছেড়ে দিলো প্রণব। এটাই প্রণব চায়। খিদে জাগিয়ে ছেড়ে দাও। ও এবার নিজেই আসবে। কিন্তু রিনি ছাড়া পেয়েই জড়সড় হয়ে জামা কাপড় ঠিক করে খাটের কোণায় গিয়ে বসল। হঠাৎ আলো চলে এল। প্রণব ওকে ভালো করে দেখছিল। রিনির রসালো ঠোঁট দুটো আরো লাল হয়ে গেছে প্রণবের ঠোঁটের চাপে। রিনিকে বললো,

– দ্যাখ, যা বৃষ্টি হচ্ছে তাতে তুই আর এখন বাড়ি যেতে পারবি না। আর সেই কারণেই আমি যা যা বলব করব সব চুপচাপ মেনে নিবি। কেউ যেন জানতে না পারে। মনে থাকবে ?

কোনরকমে মাথা নিচু করে রিনি সায় দিল। রিনির সায় পেয়ে প্রণব উঠে দাঁড়ালো। চা দুটো এখনও গরম আছে। ওর কাপটা ওকে এগিয়ে দিয়ে ওর পাশে বসে এক হাতে আবার ওকে জড়িয়ে ধরে নিজের কাছে টেনে নিলো। বললো

– নে চা টা খা। আজ আর অঙ্ক নয়। তোকে আজ একদম অন্য একটা জিনিস শেখাবো। যেটা তোর ভবিষ্যৎ জীবনে কাজে লাগবে। আজ আমরা নারী পুরুষের শরীরের শিক্ষা নেবো।

 

রিনির সেক্স সম্বন্ধে তেমন জ্ঞান না থাকলেও ও বুঝে গেল আজ ওর আর পালানোর পথ নেই। চা শেষ করে নিজের আর ওর কাপ সরিয়ে রাখল প্রণব। খেয়াল করলো রিনি চা প্রায় খেতেই পারে নি রিনি। ওকে টেনে নিয়ে নিজের বুকে আবার চেপে ধরে সরাসরি ওর স্তনে হাত রাখলো প্রণব। নরম তুলতুলে মাংস পিন্ড দুটো। এত নরম যে মনে হচ্ছে প্রণবের হাতের মধ্যে গলে যাবে। সাইজ বেশি বড় নয়। রিনিকে এমন ভাবে নিজের শরীরের সাথে চেপে ধরলো যাতে রিনি বাধা দিতে না পারে। বাঁ হাত দিয়ে ওর পিঠের পিছন দিয়ে ওর বাঁ হাত টা চেপে ধরলো আর ওর ডান হাত টা রাখল নিজের পিঠের পিছনে।

 

ব্যাস। রিনির আর নড়াচড়া করার উপায় নেই। তাও একবার কোনমতে বললো, স্যার প্লিজ স্যার ছেড়ে দিন। এমন করবেন না স্যার! প্রণবের তখন নেশা হয়ে গেছে। ওসব শোনার সময় কোথায়। দুটো মাখনের তাল চটকাতে ব্যস্ত ও। তবু রিনিকে চুপ করাতে ওর ঠোঁটে নিজের গরম ঠোঁট চেপে ধরলো ও। রিনি ছটফট করতে লাগলো। এবার ওর কামিজের নিচ দিয়ে হাত ঢোকালো প্রণব। সরাসরি দুদুর উপর নিয়ে গেলো।

 

ব্রা এর নিচ দিয়ে ঢুকিয়ে দিল নিজের হাতের থাবা। নরম ঠান্ডা মাখনের মত মাংস পিন্ড দুটো চটকাতে লাগলো মনের সুখে। এত নরম মাই আগে কোনদিনও পায়নি প্রণব। ভীষণ চুষতে ইচ্ছে করছিল। কিন্তু রিনিকে আরো গরম করতে হবে। নইলে ওকে ল্যাংটো করা যাবে না। রিনির একটা ভাললাগা সারা দেহে ছড়িয়ে পড়ছিল। ঠিক এই চটকানোর জন্যই যেন ওর দুধ দুটো অপেক্ষা করছিল। ওর চোখ বন্ধ। ওর ঠোঁট থেকে ঠোঁট সরিয়ে রিনির কানে হাল্কা করে কামড় দিল প্রণব।

 

কানের মধ্যেই ওর গরম নিশ্বাসের সাথে সাথে ওর কানের ফুটোর মধ্যে জিভ ঢুকিয়ে দিল প্রণব। সারা শরীরটা থরথর করে কাঁপছিল রিনির। বাধা দেওয়ার প্রশ্নই নেই। সেই অসার অবস্থাতেই টের পেল ওর সালোয়ারের ফিতে খুলে দিল স্যার। স্যারের হাত ওর প্যান্টির ভিতরে ঢুকে পড়ল। ওর নরম তুলতুলে রসে জবজবে গুদে স্যারের মোটা মোটা শক্ত আঙ্গুল গুলো ঘুরে বেড়াচ্ছে। ভীষণ উত্তেজিত প্রণব নিজেও। এত নরম গুদ ! ইসস মেয়েটা একেবারে আনকোরা। ওর বোধহয় বয়ফ্রেন্ডও নেই। নইলে এই মাখন দুধ আর গুদ কেউ ছাড়ে ?