Dhaka , বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
মেয়েটি বাসর ঘরে ঢুকে সবার কাছে দোয়া চেয়ে বলে যে আমার স্বামী… তিস্তা নদী থেকে ভেসে আসছে বস্তায় বস্তায় টা”কা জানা গেছে এই টা’কার মালিক আও ১ম নায়িকা যিনি বাংলা সি*নেমায় সত্যি সত্যি স*ম্পূর্ণ কা*পড় খুলে উন্মু*ক্ত ;স্ত*ন দেখিয়েছেন (ভিডিও সহ) যাত্রাবাড়ি আ’বাসিক হোটেলে ধ’রা পড়ল ৫০ বছরের মহিলা এবং তার নিজের ছো… এত সুন্দর দাড়িগুলো সে করলোটা কি! দাড়ি কাটার ৩০ মিনিট পর ঘটে গেলো.. প্রতিবেশির সাথে চুক্তি করে ৭২ বার ক,রেন স,ন্তা/ন লাভের জন্য গভীর রাতে গার্মেন্টস কর্মী ডিউটি শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে ধান ক্ষেতে নিয়ে গ… কী পরিমা’ণ অ’মানুষ এরা এক’বার ভাবুন! এরা ৩ ভা’ইয়ে মিলে নিজে’র আপ’ন যেসব মেয়ে কখনো স”হ”বা”স করেনি তাদের চেনার উপায় কী পরিমা’ণ অ’মানুষ এরা এক’বার ভাবুন! এরা ৩ ভা’ইয়ে মিলে নিজে’র আপ’ন
News Title :
মেয়েটি বাসর ঘরে ঢুকে সবার কাছে দোয়া চেয়ে বলে যে আমার স্বামী… তিস্তা নদী থেকে ভেসে আসছে বস্তায় বস্তায় টা”কা জানা গেছে এই টা’কার মালিক আও ১ম নায়িকা যিনি বাংলা সি*নেমায় সত্যি সত্যি স*ম্পূর্ণ কা*পড় খুলে উন্মু*ক্ত ;স্ত*ন দেখিয়েছেন (ভিডিও সহ) যাত্রাবাড়ি আ’বাসিক হোটেলে ধ’রা পড়ল ৫০ বছরের মহিলা এবং তার নিজের ছো… এত সুন্দর দাড়িগুলো সে করলোটা কি! দাড়ি কাটার ৩০ মিনিট পর ঘটে গেলো.. প্রতিবেশির সাথে চুক্তি করে ৭২ বার ক,রেন স,ন্তা/ন লাভের জন্য গভীর রাতে গার্মেন্টস কর্মী ডিউটি শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে ধান ক্ষেতে নিয়ে গ… কী পরিমা’ণ অ’মানুষ এরা এক’বার ভাবুন! এরা ৩ ভা’ইয়ে মিলে নিজে’র আপ’ন যেসব মেয়ে কখনো স”হ”বা”স করেনি তাদের চেনার উপায় কী পরিমা’ণ অ’মানুষ এরা এক’বার ভাবুন! এরা ৩ ভা’ইয়ে মিলে নিজে’র আপ’ন

প্রতিবেশির সাথে চুক্তি করে ৭২ বার ক,রেন স,ন্তা/ন লাভের জন্য

  • Reporter Name
  • Update Time : এক ঘন্টা আগে
  • ১৩৭ Time View

বিয়ের অনেক বছর পার হলেও সন্তান না হওয়ায় চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়েছিলেন জার্মানির স্টুটগার্টের দম্পতি ডেমেট্রিয়াস ও ট্রাউট। পরীক্ষায় জানা যায়, ডেমেট্রিয়াস নিজে সন্তান জন্মদানে অক্ষম। কিন্তু সন্তানের জন্য ব্যাকুল স্ত্রীর আশা পূরণ করতে ডেমেট্রিয়াস বেছে নেন এক অবিশ্বাস্য ও অদ্ভূত পথ!

ডেমেট্রিয়াস তাঁর পাশের বাড়ির যুবক ফ্রাঙ্ক মাউসের সঙ্গে এক বিশেষ চুক্তিতে আবদ্ধ হন। শর্ত ছিল—ফ্রাঙ্কের মাধ্যমে ট্রাউট গর্ভবতী হলে তাঁকে মোটা অঙ্কের অর্থ দেওয়া হবে। টাকার লোভে ফ্রাঙ্ক এই দায়িত্ব নিতে রাজি হন। কিন্তু কয়েক মাস টানা চেষ্টার পরেও কোনো ফল না আসায় সন্দেহ জাগে ডেমেট্রিয়াসের মনে। তিনি ফ্রাঙ্ককেও চিকিৎসকের কাছে পাঠান।
এরপরই বেরিয়ে আসে সেই চাঞ্চল্যকর তথ্য যা পুরো এলাকাকে স্তব্ধ করে দিয়েছে! পরীক্ষায় দেখা যায়, ফ্রাঙ্ক নিজেও আসলে সন্তান জন্মদানে অক্ষম। কিন্তু বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায়—তাহলে ফ্রাঙ্কের নিজের ঘরে যে সন্তানরা আছে তারা কার? এক পর্যায়ে ফ্রাঙ্কের স্ত্রী স্বীকার করতে বাধ্য হন যে, তাঁর সন্তানরা আসলে ফ্রাঙ্কের নয়! অর্থাৎ নিজের সন্তানদের আসল পরিচয় নিয়ে এতদিন অন্ধকারে ছিলেন ফ্রাঙ্ক নিজেও।
এই ঘটনার পর চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগে ফ্রাঙ্কের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ডেমেট্রিয়াস। আদালত এখন এই অস্বাভাবিক চুক্তির বৈধতা এবং নৈতিকতা নিয়ে আইনি লড়াই চালাচ্ছে। বিশ্বাস, প্রতারণা আর অদ্ভুত সব সম্পর্কের এই জটিল সমীকরণ এখন বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।
টাকার বিনিময়ে এমন চুক্তি আর সম্পর্কের এই গোলকধাঁধা নিয়ে আপনার মন্তব্য কী? মানুষের বিশ্বাস কি তবে এতটাই ভঙ্গুর? আপনার মতামত জানান কমেন্টে!

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

মেয়েটি বাসর ঘরে ঢুকে সবার কাছে দোয়া চেয়ে বলে যে আমার স্বামী…

প্রতিবেশির সাথে চুক্তি করে ৭২ বার ক,রেন স,ন্তা/ন লাভের জন্য

Update Time : এক ঘন্টা আগে

বিয়ের অনেক বছর পার হলেও সন্তান না হওয়ায় চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়েছিলেন জার্মানির স্টুটগার্টের দম্পতি ডেমেট্রিয়াস ও ট্রাউট। পরীক্ষায় জানা যায়, ডেমেট্রিয়াস নিজে সন্তান জন্মদানে অক্ষম। কিন্তু সন্তানের জন্য ব্যাকুল স্ত্রীর আশা পূরণ করতে ডেমেট্রিয়াস বেছে নেন এক অবিশ্বাস্য ও অদ্ভূত পথ!

ডেমেট্রিয়াস তাঁর পাশের বাড়ির যুবক ফ্রাঙ্ক মাউসের সঙ্গে এক বিশেষ চুক্তিতে আবদ্ধ হন। শর্ত ছিল—ফ্রাঙ্কের মাধ্যমে ট্রাউট গর্ভবতী হলে তাঁকে মোটা অঙ্কের অর্থ দেওয়া হবে। টাকার লোভে ফ্রাঙ্ক এই দায়িত্ব নিতে রাজি হন। কিন্তু কয়েক মাস টানা চেষ্টার পরেও কোনো ফল না আসায় সন্দেহ জাগে ডেমেট্রিয়াসের মনে। তিনি ফ্রাঙ্ককেও চিকিৎসকের কাছে পাঠান।
এরপরই বেরিয়ে আসে সেই চাঞ্চল্যকর তথ্য যা পুরো এলাকাকে স্তব্ধ করে দিয়েছে! পরীক্ষায় দেখা যায়, ফ্রাঙ্ক নিজেও আসলে সন্তান জন্মদানে অক্ষম। কিন্তু বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায়—তাহলে ফ্রাঙ্কের নিজের ঘরে যে সন্তানরা আছে তারা কার? এক পর্যায়ে ফ্রাঙ্কের স্ত্রী স্বীকার করতে বাধ্য হন যে, তাঁর সন্তানরা আসলে ফ্রাঙ্কের নয়! অর্থাৎ নিজের সন্তানদের আসল পরিচয় নিয়ে এতদিন অন্ধকারে ছিলেন ফ্রাঙ্ক নিজেও।
এই ঘটনার পর চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগে ফ্রাঙ্কের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ডেমেট্রিয়াস। আদালত এখন এই অস্বাভাবিক চুক্তির বৈধতা এবং নৈতিকতা নিয়ে আইনি লড়াই চালাচ্ছে। বিশ্বাস, প্রতারণা আর অদ্ভুত সব সম্পর্কের এই জটিল সমীকরণ এখন বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।
টাকার বিনিময়ে এমন চুক্তি আর সম্পর্কের এই গোলকধাঁধা নিয়ে আপনার মন্তব্য কী? মানুষের বিশ্বাস কি তবে এতটাই ভঙ্গুর? আপনার মতামত জানান কমেন্টে!