Dhaka , Saturday, 4 July 2026
News Title :
পানিতে ডু’বে যাওয়া এই মেয়েটি ছিল প্রধানমন্ত্রীর ২য়…see more ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা জানাজা অংশগ্রহণে বাংলাদেশের মাননীয় স্পিকার বলেন…see more স্বামী রাত 11 টাই ব্রাজিলের খেলা দেখতে গেলে স্ত্রী সেই সুযোগে ঘরে আনেন তার নিজের…see more ভোর রাতে ডাব চু/রি করতে গিয়ে গাছের উপরে সা/পের কা’মড়ে নিচে পড়ে মা…See more জুলাই-২৪ কে অবমাননা করায় অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনকে ১২ বছ…see more স্বামী স্ত্রী একসাথে ট্রেনে উঠেছিল। স্বামী অনিকের হাত থেকে ছুটে গিয়ে স্ত্রী রুপা খাতুন… see more জুলাই-২৪ কে অবমাননা করায় অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনকে ১২ বছ…see more অবশেষে পদত্যাগ করবেন হাসনাত আব্দুল্লাহ কিন্তু শর্ত হলো বিএ…see more পৃথিবীর বুকে ভালোবাসার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন এই…See more ব্যাংকে টাকা রেখে মাসিক মুনাফা…see more
News Title :
পানিতে ডু’বে যাওয়া এই মেয়েটি ছিল প্রধানমন্ত্রীর ২য়…see more ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা জানাজা অংশগ্রহণে বাংলাদেশের মাননীয় স্পিকার বলেন…see more স্বামী রাত 11 টাই ব্রাজিলের খেলা দেখতে গেলে স্ত্রী সেই সুযোগে ঘরে আনেন তার নিজের…see more ভোর রাতে ডাব চু/রি করতে গিয়ে গাছের উপরে সা/পের কা’মড়ে নিচে পড়ে মা…See more জুলাই-২৪ কে অবমাননা করায় অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনকে ১২ বছ…see more স্বামী স্ত্রী একসাথে ট্রেনে উঠেছিল। স্বামী অনিকের হাত থেকে ছুটে গিয়ে স্ত্রী রুপা খাতুন… see more জুলাই-২৪ কে অবমাননা করায় অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনকে ১২ বছ…see more অবশেষে পদত্যাগ করবেন হাসনাত আব্দুল্লাহ কিন্তু শর্ত হলো বিএ…see more পৃথিবীর বুকে ভালোবাসার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন এই…See more ব্যাংকে টাকা রেখে মাসিক মুনাফা…see more

ফাঁ’/স হলো গো’/পন ত/থ্য, গ্রে”ফতা/রের পর সোহেল স্বীকার করল। যে কারণে রামিসাকে হ…

  • Reporter Name
  • Update Time : 03:02 pm, Saturday, 23 May 2026
  • 8233 Time View

মিরপুরের পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও গলা কেটে হত্যার ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জাবানবন্দি দিয়েছেন অভিযুক্ত সোহেল রানা। বুধবার (২০ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

 

পুলিশ জানিয়েছে, সোহেল রানা স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় আদালতে তা রেকর্ডের আবেদন করা হয়। সেই সঙ্গে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে আটক রাখারও আবেদন করা হয়েছে। এর আগে সোহেলকে ১০ দিনের রিমান্ডে চেয়ে আবেদন করা হয়।

 

বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পৃথক দু’টি আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান। পরবর্তীতে পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিকেল সোয়া ৩টার দিকে হাজতখানা থেকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে সোহেল রানাকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে সোহেল রানাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা।

 

এর আগে পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিশু রামিসা আক্তারকে হত্যার আগে ধর্ষণের কথা শিকার করে অভিযুক্ত সোহেল রানা।

 

আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আদালতে করা ‎পুলিশের আবেদনে বলা হয়, হত্যার শিকার শিশু রামিসা রাজধানীর একটি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। গত সোমবার (১৮ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সে বাসা থেকে বের হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার কৌশলে তাকে নিজেদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যান। পরবর্তীতে ‎সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য শিশুটিকে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

 

একপর্যায়ে অভিযুক্তদের ফ্ল্যাটের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তারা। পরে অনেক ডাকাডাকিতেও কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন শিশুটির স্বজন ও প্রতিবেশীরা। ওই সময় ফ্ল্যাটের একটি কক্ষে শিশুটির মথাবিহীন মরদেহ পড়ে ছিল। এ ছাড়া আরেকটি কক্ষের ভেতরে একটি বালতির মধ্যে তার মাথাটি রাখা ছিল।

 

আবেদনে আরও বলা হয়, মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিশু রামিসার মাথা শরীর থেকে আলাদা করা হয়। সেই সঙ্গে তার সংবেদনশীল অঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করা হয় এবং দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখা হয়। পরে খণ্ডিত মাথাটি বালতির মধ্যে রাখা হয়।

 

অন্যদিকে ঘটনার পর কক্ষের জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা। পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার দায় স্বীকার করেছেন বলেও পুলিশের আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

পানিতে ডু’বে যাওয়া এই মেয়েটি ছিল প্রধানমন্ত্রীর ২য়…see more

ফাঁ’/স হলো গো’/পন ত/থ্য, গ্রে”ফতা/রের পর সোহেল স্বীকার করল। যে কারণে রামিসাকে হ…

Update Time : 03:02 pm, Saturday, 23 May 2026

মিরপুরের পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও গলা কেটে হত্যার ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জাবানবন্দি দিয়েছেন অভিযুক্ত সোহেল রানা। বুধবার (২০ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

 

পুলিশ জানিয়েছে, সোহেল রানা স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় আদালতে তা রেকর্ডের আবেদন করা হয়। সেই সঙ্গে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে আটক রাখারও আবেদন করা হয়েছে। এর আগে সোহেলকে ১০ দিনের রিমান্ডে চেয়ে আবেদন করা হয়।

 

বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পৃথক দু’টি আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান। পরবর্তীতে পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিকেল সোয়া ৩টার দিকে হাজতখানা থেকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে সোহেল রানাকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে সোহেল রানাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা।

 

এর আগে পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিশু রামিসা আক্তারকে হত্যার আগে ধর্ষণের কথা শিকার করে অভিযুক্ত সোহেল রানা।

 

আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আদালতে করা ‎পুলিশের আবেদনে বলা হয়, হত্যার শিকার শিশু রামিসা রাজধানীর একটি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। গত সোমবার (১৮ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সে বাসা থেকে বের হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার কৌশলে তাকে নিজেদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যান। পরবর্তীতে ‎সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য শিশুটিকে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

 

একপর্যায়ে অভিযুক্তদের ফ্ল্যাটের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তারা। পরে অনেক ডাকাডাকিতেও কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন শিশুটির স্বজন ও প্রতিবেশীরা। ওই সময় ফ্ল্যাটের একটি কক্ষে শিশুটির মথাবিহীন মরদেহ পড়ে ছিল। এ ছাড়া আরেকটি কক্ষের ভেতরে একটি বালতির মধ্যে তার মাথাটি রাখা ছিল।

 

আবেদনে আরও বলা হয়, মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিশু রামিসার মাথা শরীর থেকে আলাদা করা হয়। সেই সঙ্গে তার সংবেদনশীল অঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করা হয় এবং দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখা হয়। পরে খণ্ডিত মাথাটি বালতির মধ্যে রাখা হয়।

 

অন্যদিকে ঘটনার পর কক্ষের জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা। পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার দায় স্বীকার করেছেন বলেও পুলিশের আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।