Dhaka , Monday, 27 July 2026
News Title :
রাত ১২ টা বর ডাকছে ঘুমের জন্য যখনই রুমে ঢুকলাম বালিশের নিচে তাকিয়ে দেখি …more দাম্পত্য সম্পর্কে ঘনিষ্ঠতা বাড়াতে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি…see more নারীর শরীরের কোন কোন অংশ সবচেয়ে বেশি সংবেদনশীল? জেনে নিন চিকিৎসাবিজ্ঞানের ব্যাখ্যা…see more বিশেষ বার্তা, আমির হামজা গত রাতে ল্যাব এইড হাসপাতালে…..see more রাত ১২ টা বর ডাকছে ঘুমের জন্য যখনই রুমে ঢুকলাম বালিশের নিচে তাকিয়ে দেখি …See more জামায়াত এমপিকে নি’র্দোষ দাবী পু*লিশের ; মেয়েটি তার বিবাহিত স্ত্রী….see more এই কুলাঙ্গার তার নিজ মাকে মেরে আহত কর…see more হার্ট অ্যা/টাকের ১ মাস আগে থেকেই যে ২ লক্ষণ দেখা দেয়…see more ঘুমের মধ্যে হঠাৎ পায়ের রগে বা পেশিতে হঠাৎ টান ধরলে যা করবেন…see more বী/”র্য”পাত আটকানোর ২টি সুপার হট টেকনিক জেনে নিন এই কৌশল..see more
News Title :
রাত ১২ টা বর ডাকছে ঘুমের জন্য যখনই রুমে ঢুকলাম বালিশের নিচে তাকিয়ে দেখি …more দাম্পত্য সম্পর্কে ঘনিষ্ঠতা বাড়াতে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি…see more নারীর শরীরের কোন কোন অংশ সবচেয়ে বেশি সংবেদনশীল? জেনে নিন চিকিৎসাবিজ্ঞানের ব্যাখ্যা…see more বিশেষ বার্তা, আমির হামজা গত রাতে ল্যাব এইড হাসপাতালে…..see more রাত ১২ টা বর ডাকছে ঘুমের জন্য যখনই রুমে ঢুকলাম বালিশের নিচে তাকিয়ে দেখি …See more জামায়াত এমপিকে নি’র্দোষ দাবী পু*লিশের ; মেয়েটি তার বিবাহিত স্ত্রী….see more এই কুলাঙ্গার তার নিজ মাকে মেরে আহত কর…see more হার্ট অ্যা/টাকের ১ মাস আগে থেকেই যে ২ লক্ষণ দেখা দেয়…see more ঘুমের মধ্যে হঠাৎ পায়ের রগে বা পেশিতে হঠাৎ টান ধরলে যা করবেন…see more বী/”র্য”পাত আটকানোর ২টি সুপার হট টেকনিক জেনে নিন এই কৌশল..see more

স্ট্রোক করে নারীর ছেয়ে পুরুষ বেশি মারা যায় কেন যানেন…

  • Reporter Name
  • Update Time : 09:28 am, Saturday, 16 May 2026
  • 2928 Time View

দেশে বর্তমানে প্রায় ২০ লাখ স্ট্রোকের রোগী রয়েছে বাংলাদেশে। স্ট্রোকের ঝুঁকি ৬০ বছরের বেশি মানুষের মধ্যে সাত গুণ বেশি। প্রতি হাজারে স্ট্রোকে আক্রান্ত হচ্ছেন ১১ দশমিক ৩৯ জন মানুষ। নারীর চেয়ে পুরুষের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি দ্বিগুণ। স্ট্রোকের প্রকোপ শহরের চেয়ে গ্রামে কিছুটা বেশি। ডায়াবেটিসের রোগীর স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি দেড় থেকে দুই গুণ। গতকাল রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিল্টন হলে নিউরোসার্জারি বিভাগের আয়োজনে এক বৈজ্ঞানিক সেমিনারে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা এসব কথা বলেন।

 

বৈজ্ঞানিক সেমিনারে নিউরোসার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডা. হারাধন দেবনাথ, সহযোগী অধ্যাপক ডা. কেএম তারিকুল ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক ডা. শামসুল আলম ও সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. রকিবুল ইসলাম পৃথক চারটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

 

সেমিনারে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বিশ্বব্যাপী মানুষের মৃত্যুর দ্বিতীয় প্রধান কারণ স্ট্রোক। বিশ্বে প্রতি চারজনের একজনের মৃত্যু হয় স্ট্রোকে। প্রতি মিনিটে ১০ জন স্ট্রোকের কারণে মারা যান। এমনকি ১০০ জন স্ট্রোক আক্রান্ত রোগীর ৪৮ জনেরই উচ্চ রক্তচাপে ভোগেন। শিশুদের ক্ষেত্রে বিশ্বে প্রতি লাখে ২ থেকে ১৩ জন শিশু স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়। শিশুদের ক্ষেত্রে মস্তিষ্কে স্ট্রোকের অর্ধেক হয় রক্ত চলাচল বন্ধ হওয়ার কারণে, বাকি অর্ধেক হয় মস্তিষ্কের রক্ত নালি ছিঁড়ে রক্তক্ষরণের মাধ্যমে। বছরে আক্রান্তদের ১০ থেকে ২৫ ভাগ শিশু স্ট্রোকে মারা যায়। ২৫ ভাগ শিশু বারবার স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়। স্ট্রোকে আক্রান্ত ৬৬ ভাগ শিশুদের হাত পায়ের দুর্বলতা, খিঁচুনি দেখা দিতে পারে। স্ট্রোকে আক্রান্ত শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ব্যাঘাত ঘটে।

 

চিকিৎসকরা বলেন, বাংলাদেশে স্ট্রোক রোগীর সংখ্যা দিন দিন আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে ব্রেইন স্ট্রোকে মারা গেছেন ৮৫ হাজার ৩৬০ জন, যা আগের বছর (২০১৯ সাল) ছিল ৪৫ হাজার ৫০২ জন।

 

চিকিৎসকরা বলেছেন, স্ট্রোকের চিকিৎসার জন্য সাড়ে চার ঘণ্টার মধ্যে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। এ সময়ের মধ্যে জরুরি চিকিৎসা সেবা দেওয়া সম্ভব হলে রোগীর মৃত্যু ও পঙ্গুত্ব কমানো সম্ভব। স্ট্রোক রোগীদের বিশেষ করে মাথায় রক্তক্ষরণ হলে জরুরি অপারেশন প্রয়োজন হয়। ইসকেমিক স্ট্রোক (রক্তবাহিকা নালিকা বন্ধ) হলে জরুরি অপারেশন করলে রোগীর জীবন বাঁচানো সম্ভব।

 

তারা বলেছেন, রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সসহ দেশের ১৫ সরকারি মেডিকেল কলেজ ও বেশ কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতালে স্ট্রোকের অপারেশনের ব্যবস্থা রয়েছে। স্ট্রোক আক্রান্ত রোগীদের আতঙ্কিত না হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ ও প্রয়োজনে বিশেষায়িত হাসপাতালে আসার জন্য বলা হয়। শতকরা ৮০ ভাগ স্ট্রোক আক্রান্ত ওষুধের মাধ্যমেই ভালো হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে ১০০টি বেডের অত্যাধুনিক স্ট্রোক ইউনিট চালু হলে দেশের রোগীদের আর বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না।

 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, দ্রুত সময়ে স্ট্রোকের রোগীদের হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হলে অনেক মৃত্যু ঠেকানোর পাশাপাশি বিকলাঙ্গ রোধ করা যাবে। স্ট্রোকের রোগের চিকিৎসা করার চেয়ে স্ট্রোক প্রতিরোধ করা জরুরি। এ জন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে। খাবারে লবণ না খাওয়া, ডায়াবেটিস কন্ট্রোল করা, নিয়মিত শরীর চর্চা করা, স্ট্রেস না নেওয়া, ধূমপান না করার ওপর জোর দিতে হবে।

 

স্ট্রোক রোধে মোবাইল ফোন কম ব্যবহারের ওপর জোর দিয়ে অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, অধিক সময় মোবাইল ফোন নিয়ে বসে থাকলে স্ট্রেস বেড়ে গিয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন দ্রব্যের সাশ্রয় করতে বলেছেন। তাই আমরা ওষুধের পেছনে বেশি অর্থ ব্যয় না করতে হয় সেদিকে সচেতন হতে হবে। এ জন্য সবাইকে রোগ প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধের দিকে বেশি মনোযোগ দিতে হবে। এতে করে অর্থনৈতিক ক্ষতির হাত থেকে দেশকে রক্ষা করা যাবে।

 

সেমিনারে বলা হয়, স্ট্রোক প্রতিরোধে সাতটি পদক্ষেপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। খাবারে তেল ও লবণের ব্যবহার কমানো, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা, নিয়মিত শরীরচর্চা করা, ধূমপান ও অ্যালকোহল সেবন থেকে বিরত থাকা, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ থাকলে নিয়ন্ত্রণে রাখা, রক্তে কোলেস্টরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা ও স্ট্রেস কমাতে নামাজ, উপাসনা বা মেডিটেশন করা।

 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরো সার্জারি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আখলাক হোসেন খানের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সোসাইটি অব নিউরোসার্জনসের সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্জারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হোসেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুর রহমান দুলাল, নিউরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আবু নাসার রিজভী, ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সোহেল মাহমুদ আরাফাত, নিউরো সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডা. ধীমান চৌধুরী, অধ্যাপক ডা. মওদুদুল হক, অধ্যাপক ডা. আইউব আনসারী, অধ্যাপক ডা. সুকৃতি দাস, সহযোগী অধ্যাপক ডা. রেজাউল আমিন ও ডা. খায়রুন নবী খান, নিউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. হাসান জাহিদুর রহমান, অধ্যাপক ডা. কনোজ কুমার বর্মণ, অধ্যাপক ডা. মো. শহীদুল্লাহ, অধ্যাপক ডা. সুভাষ কান্তি দে প্রমুখ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

রাত ১২ টা বর ডাকছে ঘুমের জন্য যখনই রুমে ঢুকলাম বালিশের নিচে তাকিয়ে দেখি …more

স্ট্রোক করে নারীর ছেয়ে পুরুষ বেশি মারা যায় কেন যানেন…

Update Time : 09:28 am, Saturday, 16 May 2026

দেশে বর্তমানে প্রায় ২০ লাখ স্ট্রোকের রোগী রয়েছে বাংলাদেশে। স্ট্রোকের ঝুঁকি ৬০ বছরের বেশি মানুষের মধ্যে সাত গুণ বেশি। প্রতি হাজারে স্ট্রোকে আক্রান্ত হচ্ছেন ১১ দশমিক ৩৯ জন মানুষ। নারীর চেয়ে পুরুষের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি দ্বিগুণ। স্ট্রোকের প্রকোপ শহরের চেয়ে গ্রামে কিছুটা বেশি। ডায়াবেটিসের রোগীর স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি দেড় থেকে দুই গুণ। গতকাল রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিল্টন হলে নিউরোসার্জারি বিভাগের আয়োজনে এক বৈজ্ঞানিক সেমিনারে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা এসব কথা বলেন।

 

বৈজ্ঞানিক সেমিনারে নিউরোসার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডা. হারাধন দেবনাথ, সহযোগী অধ্যাপক ডা. কেএম তারিকুল ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক ডা. শামসুল আলম ও সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. রকিবুল ইসলাম পৃথক চারটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

 

সেমিনারে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বিশ্বব্যাপী মানুষের মৃত্যুর দ্বিতীয় প্রধান কারণ স্ট্রোক। বিশ্বে প্রতি চারজনের একজনের মৃত্যু হয় স্ট্রোকে। প্রতি মিনিটে ১০ জন স্ট্রোকের কারণে মারা যান। এমনকি ১০০ জন স্ট্রোক আক্রান্ত রোগীর ৪৮ জনেরই উচ্চ রক্তচাপে ভোগেন। শিশুদের ক্ষেত্রে বিশ্বে প্রতি লাখে ২ থেকে ১৩ জন শিশু স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়। শিশুদের ক্ষেত্রে মস্তিষ্কে স্ট্রোকের অর্ধেক হয় রক্ত চলাচল বন্ধ হওয়ার কারণে, বাকি অর্ধেক হয় মস্তিষ্কের রক্ত নালি ছিঁড়ে রক্তক্ষরণের মাধ্যমে। বছরে আক্রান্তদের ১০ থেকে ২৫ ভাগ শিশু স্ট্রোকে মারা যায়। ২৫ ভাগ শিশু বারবার স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়। স্ট্রোকে আক্রান্ত ৬৬ ভাগ শিশুদের হাত পায়ের দুর্বলতা, খিঁচুনি দেখা দিতে পারে। স্ট্রোকে আক্রান্ত শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ব্যাঘাত ঘটে।

 

চিকিৎসকরা বলেন, বাংলাদেশে স্ট্রোক রোগীর সংখ্যা দিন দিন আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে ব্রেইন স্ট্রোকে মারা গেছেন ৮৫ হাজার ৩৬০ জন, যা আগের বছর (২০১৯ সাল) ছিল ৪৫ হাজার ৫০২ জন।

 

চিকিৎসকরা বলেছেন, স্ট্রোকের চিকিৎসার জন্য সাড়ে চার ঘণ্টার মধ্যে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। এ সময়ের মধ্যে জরুরি চিকিৎসা সেবা দেওয়া সম্ভব হলে রোগীর মৃত্যু ও পঙ্গুত্ব কমানো সম্ভব। স্ট্রোক রোগীদের বিশেষ করে মাথায় রক্তক্ষরণ হলে জরুরি অপারেশন প্রয়োজন হয়। ইসকেমিক স্ট্রোক (রক্তবাহিকা নালিকা বন্ধ) হলে জরুরি অপারেশন করলে রোগীর জীবন বাঁচানো সম্ভব।

 

তারা বলেছেন, রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সসহ দেশের ১৫ সরকারি মেডিকেল কলেজ ও বেশ কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতালে স্ট্রোকের অপারেশনের ব্যবস্থা রয়েছে। স্ট্রোক আক্রান্ত রোগীদের আতঙ্কিত না হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ ও প্রয়োজনে বিশেষায়িত হাসপাতালে আসার জন্য বলা হয়। শতকরা ৮০ ভাগ স্ট্রোক আক্রান্ত ওষুধের মাধ্যমেই ভালো হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে ১০০টি বেডের অত্যাধুনিক স্ট্রোক ইউনিট চালু হলে দেশের রোগীদের আর বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না।

 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, দ্রুত সময়ে স্ট্রোকের রোগীদের হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হলে অনেক মৃত্যু ঠেকানোর পাশাপাশি বিকলাঙ্গ রোধ করা যাবে। স্ট্রোকের রোগের চিকিৎসা করার চেয়ে স্ট্রোক প্রতিরোধ করা জরুরি। এ জন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে। খাবারে লবণ না খাওয়া, ডায়াবেটিস কন্ট্রোল করা, নিয়মিত শরীর চর্চা করা, স্ট্রেস না নেওয়া, ধূমপান না করার ওপর জোর দিতে হবে।

 

স্ট্রোক রোধে মোবাইল ফোন কম ব্যবহারের ওপর জোর দিয়ে অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, অধিক সময় মোবাইল ফোন নিয়ে বসে থাকলে স্ট্রেস বেড়ে গিয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন দ্রব্যের সাশ্রয় করতে বলেছেন। তাই আমরা ওষুধের পেছনে বেশি অর্থ ব্যয় না করতে হয় সেদিকে সচেতন হতে হবে। এ জন্য সবাইকে রোগ প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধের দিকে বেশি মনোযোগ দিতে হবে। এতে করে অর্থনৈতিক ক্ষতির হাত থেকে দেশকে রক্ষা করা যাবে।

 

সেমিনারে বলা হয়, স্ট্রোক প্রতিরোধে সাতটি পদক্ষেপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। খাবারে তেল ও লবণের ব্যবহার কমানো, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা, নিয়মিত শরীরচর্চা করা, ধূমপান ও অ্যালকোহল সেবন থেকে বিরত থাকা, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ থাকলে নিয়ন্ত্রণে রাখা, রক্তে কোলেস্টরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা ও স্ট্রেস কমাতে নামাজ, উপাসনা বা মেডিটেশন করা।

 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরো সার্জারি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আখলাক হোসেন খানের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সোসাইটি অব নিউরোসার্জনসের সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্জারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হোসেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুর রহমান দুলাল, নিউরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আবু নাসার রিজভী, ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সোহেল মাহমুদ আরাফাত, নিউরো সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডা. ধীমান চৌধুরী, অধ্যাপক ডা. মওদুদুল হক, অধ্যাপক ডা. আইউব আনসারী, অধ্যাপক ডা. সুকৃতি দাস, সহযোগী অধ্যাপক ডা. রেজাউল আমিন ও ডা. খায়রুন নবী খান, নিউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. হাসান জাহিদুর রহমান, অধ্যাপক ডা. কনোজ কুমার বর্মণ, অধ্যাপক ডা. মো. শহীদুল্লাহ, অধ্যাপক ডা. সুভাষ কান্তি দে প্রমুখ।