স্ত্রী ছাড়া কার সাথে স′হ-বা-স করা যাবে…see more

স্ত্রী ছাড়া কার সাথে স′হবাস করা যাবে…see more
১. বৈধ স্ত্রী

আল্লাহ বলেন:

“আর যারা নিজেদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে—তাদের স্ত্রীদের বা তাদের অধিকারভুক্তদের ছাড়া…”

— সূরা আল-মু’মিনূন, ২৩:৫–৬

এ আয়াতের মূল শিক্ষা হলো, যৌন সম্পর্ককে ইসলাম বৈধ সীমার মধ্যে রেখেছে।

২. বর্তমান সময়ে বৈধ পথ: বিবাহ

আজকের বাস্তব ও প্রচলিত ইসলামী ফিকহ অনুযায়ী, একজন পুরুষের জন্য বৈধভাবে বিবাহিত স্ত্রী ছাড়া অন্য কোনো নারীর সঙ্গে সহবাস বৈধ নয়। একাধিক স্ত্রী থাকলে, শরিয়তের শর্ত ও ন্যায়বিচার মেনে প্রত্যেক বৈধ স্ত্রীর সঙ্গে দাম্পত্য সম্পর্ক বৈধ।

৩. প্রেমিকা, পরকীয়া বা বিয়ে ছাড়া সম্পর্ক

বিয়ে ছাড়া কোনো নারী—যেমন প্রেমিকা, বান্ধবী বা অন্য কারও সঙ্গে সহবাস—জিনা/ব্যভিচারের অন্তর্ভুক্ত এবং হারাম।

কুরআনে আল্লাহ বলেন:

“তোমরা জিনার নিকটবর্তী হয়ো না। নিশ্চয়ই তা অশ্লীল কাজ এবং নিকৃষ্ট পথ।”

— সূরা আল-ইসরা, ১৭:৩২

৪. হাদিসের শিক্ষা

রাসুলুল্লাহ ﷺ যুবকদের উদ্দেশে বলেছেন, যার সামর্থ্য আছে সে যেন বিয়ে করে, কারণ বিয়ে দৃষ্টি সংযত রাখা ও লজ্জাস্থান হেফাজতের একটি বৈধ উপায়।

— সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম

সারকথা: ইসলামে যৌন সম্পর্কের বৈধ পথ হলো বৈধ বিবাহের মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক। বিয়ে ছাড়া অন্য কারও সঙ্গে সহবাস ইসলাম অনুমোদন করে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *