Dhaka , Wednesday, 1 July 2026
News Title :
News Title :

একজন ৬ বছরের স্কুল পড়ুয়া মেয়ে কে কি এভাবে দায়িত্বহীন ভাবে স্কুল…See more

একজন ৬ বছরের স্কুলপড়ুয়া মেয়েকে কি এভাবে দায়িত্বহীনভাবে স্কুলে পাঠানো যায়?

মাত্র ৬ বছরের একটি শিশু। যে এখনও নিজের নিরাপত্তা সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন নয়, যার পৃথিবী মানেই পরিবার, স্কুল আর কিছু পরিচিত মুখ। এমন একটি শিশুকে যদি যথাযথ নিরাপত্তা ও দায়িত্ব ছাড়া স্কুলে পাঠানো হয়, তাহলে তা শুধু অবহেলাই নয়, বড় ধরনের ঝুঁকির কারণও হতে পারে।

প্রতিদিন অসংখ্য শিশু স্কুলে যাতায়াত করে। অভিভাবক, স্কুল কর্তৃপক্ষ এবং পরিবহন সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত দায়িত্ব হলো তাদের নিরাপদে স্কুলে পৌঁছানো এবং বাড়ি ফিরিয়ে আনা। সামান্য অসাবধানতাও কখনও কখনও অপূরণীয় দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

একজন ছোট্ট শিশুকে একা ব্যস্ত সড়ক পার হতে দেওয়া, অপরিচিত কারও সঙ্গে পাঠিয়ে দেওয়া বা স্কুল ছুটির পর দীর্ঘ সময় নজরদারি ছাড়া রেখে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। শিশুদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে প্রতিটি মুহূর্তে সতর্কতা জরুরি।

আমাদের সমাজে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেরও আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন। স্কুলে প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় পর্যাপ্ত তদারকি, নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা এবং শিশুদের সঠিকভাবে অভিভাবকের কাছে হস্তান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করা উচিত।

একটি শিশুর হাসি, স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব। তাই আসুন, কোনো অবহেলা নয়—প্রতিটি স্কুলপড়ুয়া শিশুর নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিই। সামান্য সচেতনতাই একটি মূল্যবান জীবনকে নিরাপদ রাখতে পারে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ব্রেকিং: দেশজুড়ে একদিনের ছুটি ঘোষণা..See more

একজন ৬ বছরের স্কুল পড়ুয়া মেয়ে কে কি এভাবে দায়িত্বহীন ভাবে স্কুল…See more

Update Time : 3 Hours Ago

একজন ৬ বছরের স্কুলপড়ুয়া মেয়েকে কি এভাবে দায়িত্বহীনভাবে স্কুলে পাঠানো যায়?

মাত্র ৬ বছরের একটি শিশু। যে এখনও নিজের নিরাপত্তা সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন নয়, যার পৃথিবী মানেই পরিবার, স্কুল আর কিছু পরিচিত মুখ। এমন একটি শিশুকে যদি যথাযথ নিরাপত্তা ও দায়িত্ব ছাড়া স্কুলে পাঠানো হয়, তাহলে তা শুধু অবহেলাই নয়, বড় ধরনের ঝুঁকির কারণও হতে পারে।

প্রতিদিন অসংখ্য শিশু স্কুলে যাতায়াত করে। অভিভাবক, স্কুল কর্তৃপক্ষ এবং পরিবহন সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত দায়িত্ব হলো তাদের নিরাপদে স্কুলে পৌঁছানো এবং বাড়ি ফিরিয়ে আনা। সামান্য অসাবধানতাও কখনও কখনও অপূরণীয় দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

একজন ছোট্ট শিশুকে একা ব্যস্ত সড়ক পার হতে দেওয়া, অপরিচিত কারও সঙ্গে পাঠিয়ে দেওয়া বা স্কুল ছুটির পর দীর্ঘ সময় নজরদারি ছাড়া রেখে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। শিশুদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে প্রতিটি মুহূর্তে সতর্কতা জরুরি।

আমাদের সমাজে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেরও আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন। স্কুলে প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় পর্যাপ্ত তদারকি, নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা এবং শিশুদের সঠিকভাবে অভিভাবকের কাছে হস্তান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করা উচিত।

একটি শিশুর হাসি, স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব। তাই আসুন, কোনো অবহেলা নয়—প্রতিটি স্কুলপড়ুয়া শিশুর নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিই। সামান্য সচেতনতাই একটি মূল্যবান জীবনকে নিরাপদ রাখতে পারে।